কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক আলম খান আর নেই

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:০২, শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০২২, ২৪ আষাঢ় ১৪২৯

বিনোদন ডেস্ক

বাংলা গানের কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলম খান আর নেই। শুক্রবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে মারা গেছেন তিনি।  খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার পুত্র-সংগীত পরিচালক আরমান খান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে বাবার মৃত্যু হয়েছে। বার্ধক্যজনিত কারণেই তিনি মারা গেছেন। গত এক-দেড় মাস থেকেই তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। গতকাল তাকে লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।’


 

এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় আরমান খান লিখেছেন, ‘আব্বা চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আজ বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।’

বাংলা সিনেমার গানে অবিস্মরণীয় নাম আলম খান। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য কালজয়ী গান সৃষ্টি করেছেন। তিনি একাধারে গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন।

আলম খানের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২২ অক্টোবর সিরাজগঞ্জের বানিয়াগাতি গ্রামে। ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন তিনি। এই স্কুলে থাকা অবস্থায়ই গানের প্রতি আগ্রহী হন এবং মায়ের উৎসাহে তিনি গানের চর্চা শুরু করেন। এরপর বাবাও সমর্থন দেন। তার ছোট ভাই ছিলেন বাংলাদেশের কিংবদন্তি পপ শিল্পী আজম খান।


গানের ভুবনে আলম খানের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৩ সালে। সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক রবিন ঘোষের সহকারী হিসেবে তিনি ‘তালাশ’ সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেন।

সাত বছর সহকারী হিসেবে কাজের পর ১৯৭০ সালে আলম খান একক সংগীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তবে সাফল্য পেতে অনেকটা দেরি হয় তার। ১৯৭৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সারেং বৌ’ সিনেমার জন্য তিনি তৈরি করেন ‘ও রে নীল দরিয়া’ গানটি। দেশজুড়ে এটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। এখনো সমান জনপ্রিয় গানটি।

এরপর আলম খান আরও বহু কালজয়ী গান সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস’, ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মতো গন্ধ বিলিয়ে যাই’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘কি জাদু করিলা পিরিতি শিখাইলা’, ‘তুমি যেখানে আমি সেখানে’, ‘সবাই তো ভালবাসা চায়’, ‘ভালবেসে গেলাম শুধু’, ‘চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা’, ‘আমি একদিন তোমায় না দেখিলে’, ‘তেল গেলে ফুরাইয়া’, ‘আমি তোমার বধূ তুমি আমার স্বামী’, ‘জীবনের গল্প বাকি আছে অল্প’, ‘মনে বড় আশা ছিল’, ‘সাথীরে যেও না কখনো দূরে’, ‘বেলি ফুলের মালা পরে’, ‘কাল তো ছিলাম ভাল’, ‘চুমকি চলেছে একা পথে’, ‘ভালবাসিয়া গেলাম ফাঁসিয়া’, ‘তুমি কি এখন আমারই কথা ভাবছো’, ‘আকাশেতে লক্ষ তারা চাঁদ কিন্তু একটাইরে’ ইত্যাদি।

আলম খান তার ক্যারিয়ারে ছয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচবার পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে এবং একবার শ্রেষ্ঠ সুরকার হিসেবে।

বিষয়ঃ তারকা

Share This Article

মুজিব কর্নার থেকে বঙ্গবন্ধুকে জানবে নতুন প্রজন্ম

‘গণতন্ত্র হত্যা করে বিএনপি আবার গণতন্ত্রের গল্প শোনায়’

ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট হবে স্বাস্থ্যসেবা

কিছু না পেয়ে এখন পাঠ্যপুস্তকের ভুলকে ইস্যু বানাচ্ছে বিএনপি

শিগগিরই বাংলাদেশে ক্যাম্পাস খুলছে মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই

বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন:সময় না পেরুতেই বেকায়দায় আন্দোলনের সঙ্গীরা!

গণতন্ত্রের প্রতীক আফগান নারী কৌঁসুলিরা এখন স্পেনের শরণার্থী

নির্বাচন কমিশনে চিরুনি অভিযান:সর্ষেই ভুত!

পাঠ্যবই পৌঁছাতে দেরি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে নারী কাউন্সিলরকে গুলি করে হত্যা


বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শিমুর মেয়ের

শুটিংয়ে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ নায়িকা ববি

শাহরুখ খানকে হত্যার হুমকি

বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যদ্বাণী মিথ্যা করে রেকর্ড গড়ল ‘পাঠান’

পদ্মশ্রী পুরস্কার পেলেন রাভিনা ট্যান্ডন

কণ্ঠশিল্পী আসিফকে ই-পাসপোর্ট দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

‘পাঠান’ ঝড়ে বিপর্যস্ত কলকাতা, রাস্তায় কাটা হলো কেক

উঠল নিষেধাজ্ঞা, ২০ মাস পর টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেলেন কঙ্গনা

‘পাঠান’ নিয়ে আর প্রতিবাদ না করার ঘোষণা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

চূড়ান্ত অবসর এবং নির্মাণকে বিদায় বললেন শাবানা

বিশু শিকদারের দুই মেয়ের দায়িত্ব নিলেন জেমস

নওয়াজউদ্দিনের স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন তার মা