গাড়িতে বসেই পদ্মা সেতুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী!

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৭:২৩, বুধবার, ২৯ জুন, ২০২২, ১৫ আষাঢ় ১৪২৯

৯০ এর দশকে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য যখন বিশ্ব ব্যাংক এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক সরাসরি না বলে দেয়, তখন জাপানকে অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ। 

ওই সময়ে সাবেক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ও বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমানের কাছে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল জাপান। 

 

 

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা তখন সে বার্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে যান এবং সেখানে গিয়ে দেখলেন ওই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী সংসদে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

পরে মসিউর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে অগ্রাধিকার প্রকল্প সম্পর্কে বলতে শুরু করলে প্রধানমন্ত্রী  তাঁকে গাড়িতে উঠতে বলেন যাতে  গাড়িতে বসে যেতে যেতেই এ বিষয়ে কথা বলা যায়।

মসিউর রহমান বলেন, ‘গাড়িতে বসে প্রধানমন্ত্রী তখন জানতে চাইলেন— রাজধানীতে বাইরে থেকে লোক না এনে যদি রাজধানীকেই মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া যায়, এতে যদি সময় সাশ্রয় হয়, তাহলে অবশ্যই সেটি ভালো সিদ্ধান্ত হবে। আর এটা পদ্মাসেতুর মাধ্যমেই সম্ভব হবে।’ এটাই ছিল পদ্মা সেতু সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম প্রকাশ।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টার মতে, মানুষের কল্যাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে অন্তর্নিহিত ইচ্ছা, সেটির প্রাথমিক প্রতিফলন ছিল ওই সিদ্ধান্ত। আর ওই সিদ্ধান্তটি মূলত ওই মুহূর্তেই তিনি নিয়ে নিয়েছিলেন। তাঁর এ দৃঢ়চেতার জন্যই আজ দৃশ্যমান পদ্মা সেতু।

Share This Article


নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে বোমা পাওয়া গেছে : ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার

বিএনপি নয়াপল্টনে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে: কাদের

সমুদ্রের বিশাল জলরাশি সবাইকে এক করেছে: শেখ হাসিনা

আজ কক্সবাজারে ২৯ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১০ ডিসেম্বর : হঠাৎ বিএনপির পিছুটান!

গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ উপাধিতে ভূষিত শেখ হাসিনা

কাল থেকেই সারাদেশে নেতা-কর্মীদের সতর্ক পাহারা দেয়ার নির্দেশ ওবায়দুল কাদেরের

ছাত্রলীগের সম্মেলন শুরু

ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন আজ

কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ৫ লাখ লোক সমাগমের আশা

বিএনপি নেতা ইশরাকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

'হানাদার বাহিনীর দোসর ছিল বলেই ১০ ডিসেম্বর বিএনপির প্রিয়'