বাবা বেঁচে থাকলে দারুণ খুশি হতেন: প্রকৌশলী জামিলুরের মেয়ে

  বিডি পিপলস ভয়েস ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৩:২৪, শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২, ১১ আষাঢ় ১৪২৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান ঘিরে দেশব্যাপী উৎসবের আমেজ বইছে। সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সারা দেশে প্রায় সব জেলা থেকে মানুষ এসে জমা হয়েছে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুর প্রান্তে।

চারদিকে সাজ সাজ রব, অনেকটা ঈদ আনন্দের মতো।

এত সব আয়োজনে সবাইকে পাওয়া গেলেও সেখানে নেই বাংলাদেশের অগ্রগণ্য প্রকৌশলী জামিলুর রেজা চৌধুরী।

পদ্মা সেতু নির্মাণ সূচনা প্রকল্পে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেই কমিটির মূল সমন্বয়ক ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী।

আর সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আজ নেই প্রধানমন্ত্রীর পাশে। কারণ বিশিষ্ট এই প্রকৌশলী এখন আর বেঁচে নেই। ২০২০ সালের ২৮ এপ্রিল ৭৬ বছর বয়সে মারা যান তিনি।

জামিলুর রেজা চৌধুরীর মেয়ে কারিশমা ফারহীন চৌধুরী বাবার মতোই পেশায় প্রকৌশলী। এ মুহূর্তে সুদূর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন তিনি।

বাবার সূত্রে তারও গভীর আবেগ জড়িয়ে আছে পদ্মা সেতুর সঙ্গে। ঐতিহাসিক এই দিনে বাবাকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করলেন তিনি।

সুদূর যুক্তরাজ্য থেকে কারিশমা ফারহীন চৌধুরী বললেন, ‘বাবা বেঁচে থাকলে দারুণ খুশি হতেন। তার অবর্তমানে দলের অন্য সদস্যরা সেতুটি তৈরি করতে পেরেছেন, এতে নিশ্চয়ই গৌরবান্বিত হতেন তিনি। বাবা বিশ্বাস করতেন বাংলাদেশের প্রকৌশলীরাই এই মেগাপ্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিতে পারবেন, সেই যোগ্যতা তাদের আছে। আর পদ্মা সেতু এখন বাস্তবতা— এটা দেখে নিশ্চয়ই তিনি অনেক খুশি হতেন।’

প্রকল্প শুরুর দিকে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে গভীর উত্তেজনা কাজ করত জামিলুর রেজা চৌধুরীর।

সেই সময় এ প্রকৌশলীর চিন্তা-মননে শুধু পদ্মা সেতুই ছিল।

সে কথাই জানালেন তার মেয়ে কারিশমা। তিনি বলেন, ‘বাবাও প্রথম থেকে দেশের সবার মতোই এই প্রজেক্টটি নিয়ে খুবই এক্সসাইটেড ছিলেন। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ ছিল। প্রথমত তিনি জানতেন— এটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। দ্বিতীয়ত প্রকৌশলী হিসেবে এটি উনার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং একটি প্রজেক্ট ছিল। অনেকেই জানেন, এই প্রকল্পে অনেক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বাধা ছিল। নদীশাসন, মাটির শক্তিমাত্রাসহ আরও অনেক বিষয়।’

বাবার সঙ্গে প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখার স্মৃতিচারণ করেন কারিশমা ফারহীন চৌধুরী।  বলেন,  ‘আমার সৌভাগ্য হয়েছিল ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে বাবাসহ পদ্মা সেতু স্বচক্ষে দেখতে যাওয়ার। আমরা পুরো পরিবারের সবাই পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখতে গিয়েছিলাম। তখন মনে হয় ২৯ বা ৩০টির মতো স্প্যান বসেছিল। তখন আমরা বুঝতে পারছিলাম তিনি কতটা গর্ববোধ করছেন।’

শেষ পর্যন্ত পদ্মা সেতু প্রকল্পে নিজে জড়িয়ে রাখতে পারেননি জামিলুর রেজা চৌধুরী। বিশ্বব্যাংকের টালবাহানা শেষে সরকার পরে নিজ অর্থে সেতুর কাজ শুরু করে। তখন আর আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটির কোনো খবরদারি ছিল না।

এ ছাড়া পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির চেষ্টার যে অভিযোগ উঠেছিল, সেই সময় জামিলুর রেজা চৌধুরীর মনের অবস্থা কেমন ছিল, তিনি শঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন কিনা, তা নিয়েও কথা বলেছেন তার মেয়ে।

কারিশমা বলেন, ‘বাবা আসলে কাজের জায়গাগুলো নিয়ে খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করতেন। দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগের সময় প্রকল্প নিয়ে আমাদের সঙ্গে খুব বেশি খোলামেলা আলোচনায় যেতেন না। তবে সেই সময় বাবাকে বেশ উদ্বিগ্ন দেখা যেত।’

Share This Article

বিএনপি রাজনীতির মাঠে খেলার যোগ্যতা হারিয়েছে: এমপি গোপাল

বিএনপি আমলের চেয়ে ছয় গুণ বেশি রিজার্ভ রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

স্বল্পমূল্যে বিক্রির জন্য ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হচ্ছে

সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা করার অনুমতি দিতে পারে না: তথ্যমন্ত্রী

ইনশাআল্লাহ দেশবাসী প্রধানমন্ত্রীকে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত করবে : পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

২০৪১ সালের মধ্যে দেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে : তাজুল ইসলাম

সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর : স্পিকার

পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে: আতিক

সমাবেশে বাঁশ নিয়ে আসতে বিএনপির বিজ্ঞাপন!

বাংলাদেশ ভারতের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় : ভার্মা


খালেদা জিয়া সমাবেশে যোগ দিলে আদালত দেখবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আনিসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

জাতীয় আয়কর দিবস আজ

রিজার্ভ নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই, দেশে কোনও সংকট হবে না : প্রধানমন্ত্রী

পরিত্যক্ত কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ঢাকায় দু’মাসের মধ্যে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধ করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী

করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১১

১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা থেকে দুর্নীতি নির্মূল করাই আমাদের লক্ষ্য: হাইকোর্ট

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে নেদারল্যান্ডস

কাতার সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯