অন্ধকার কূপে শ্রমিকদের বিন্দু বিন্দু ঘামে গড়ে ওঠা এক সেতুর গল্প

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৮:১৭, শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২, ১০ আষাঢ় ১৪২৯

ভার বহন করবে বেশি; কিন্তু নির্মাণ উপকরণের ব্যবহার হবে কম, নকশাও হবে দৃষ্টিনন্দন ঠিক এসব কারণেই বিশ্বে জনপ্রিয় ট্রাস সেতু। পদ্মা সেতুও  নির্মিত হয়েছে এই প্রযুক্তিতে। ফলে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ট্রাস সেতু ‘পদ্মা’ ।

পৃথিবীর অন্যতম খরস্রোতা নদী পদ্মার বুকে একটি সেতুর পেছনে রয়েছে বিশাল এক কর্মযজ্ঞের গল্প। জার্মানি থেকে হ্যামার, লুক্সেমবার্গ থেকে রেলের স্ট্রিংগার, চীন থেকে ট্রাস, অস্ট্রেলিয়া থেকে পরামর্শক; এমনভাবে বহুদেশ থেকে প্রকৌশলী ও প্রকৌশল যন্ত্রপাতি এসেছে পদ্মায়।

২০ হাজার শ্রমিক-প্রকৌশলীর টুকরো টুকরো মেধা ও শ্রমে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের স্বপ্নের পদ্মা সেতু, যার নির্মাণকাজে সরাসরি জড়িত ছিলেন বাংলাদেশ এবং চীনের ৭০০ মেধাবী প্রকৌশলী। পদ্মার দুই পাড়ে কাজ করেছেন ১৩ হাজার শ্রমিক। তারা পদ্মার তলদেশে ৪২ তলা সমান গভীর কূপে ঝুঁকি নিয়ে খনন করে দেশকে দিয়েছেন স্বপ্নের পদ্মা সেতু।

পদ্মা সেতুর ৪২টা পিলারের নিচে আছে পাইল। সেই পাইল বসানোর জন্য প্রতিটি পিলারের স্থানে প্রথমে ৬টা করে স্টিলের বেড় দেওয়া কূপ বসানো হয়। ১০ ফুট ব্যাসের কূপ। তারপর সেই কূপের ভেতরে মাটি-পানি অপসারণ করা হয় পাম্প করে। তখন ৪২০ ফুট গভীর সেই অন্ধকার কূপের মধ্যে নামতে হতো বাংলার নির্মাণবীরদের।

এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম নামে একজন নির্মাণ শ্রমিককে “অন্ধকার পাইলের মধ্যে নামতে ভয় করে কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ভয় কিসের! কাজ করতে এসে ভয় কিসের! অন্যরা যেমন কাজ করে, আমরাও তেমনই কাজ করি।

পাইলে নামার সময় সব ধরনের নিরাপত্তাই থাকে বলে জানান রাজু নামে আরেক শ্রমিক। তিনি বলেন, পাইলের নিচের জায়গা বেশ ফাঁকা। তবে গরমে বেশি সময় পাইলের মধ্যে থাকা যায় না। শীতকাল, গরমকাল সব সময়ই পাইলের ভেতর গরম লাগে।

তাজুল, জাকির, মোস্তফার মতো অসংখ্য শ্রমিকের বিন্দু বিন্দু ঘামে গড়ে উঠছে পদ্মা সেতু। আর কয়েক ঘন্টা পরেই(২৫ জুন ২০২২) পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের গৌরব আর আত্মমর্যাদার প্রতীক এই পদ্মা সেতু। বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, জনগণের উপার্জিত টাকায় পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ আজ সম্পন্ন হয়েছে! কোনও বাধা ও ষড়যন্ত্রই বাধা হতে পারেনি এই বিশাল কর্মযজ্ঞের।
কাজেই ‘মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না’—বঙ্গবন্ধুর এই কথা তো আমাদের আবারও উদ্বুদ্ধ করবেই।

Share This Article

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী জান্নাহর সঙ্গে সালমান এফ রহমান

‘পর্যটন উন্নয়নে মালদ্বীপের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ’

কারামুক্ত হয়ে বিএনপি নেতা এ্যানী'র ক্ষোভ : দলীয় ঐক্য ও ত্যাগ স্বীকার যথেষ্ট ছিলো না!

বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা নয়, সহিংস হলে ব্যবস্থা: কাদের

গাজায় যুদ্ধ নয়, গণহত্যা চলছে : ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

শবে বরাতের নামাজের নিয়ম ও নিয়ত

মজুতদার-সিন্ডিকেটকে বিএনপি পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

'ওয়ান ইলেভেন' নিয়ে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করলেন ইউনুস!

বঙ্গবন্ধুর 'রাষ্ট্রভাষা দিবস' ঘোষণায় যেভাবে '২১' হয়ে উঠলো ইতিহাস

মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত-বাংলাদেশকে একসাথে কাজ করার পরামর্শ ডোনাল্ড লু'র

ফের বিয়ে করলেন ক্রিকেটার আল আমিন


কোন্দল মেটাতে ঢাকায় ডাকা হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতাদের

বাতিল হলো ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ নামকরণের নির্দেশনা

ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেফতার

বাইডেনের চিঠির জবাব দিলেন শেখ হাসিনা

নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চান প্রধানমন্ত্রী

২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার কোটি টাকা

ঢাকা ছাড়লেন পিটার হাস

আইজিপি ব্যাজ পাচ্ছেন ৪৮৮ পুলিশ সদস্য

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন ৫০ নারী, গেজেট মঙ্গলবার

‘ফিলিস্তিনের বিপক্ষে অপতথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে’

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ : বিশ্বব্যাংকের এমডি

মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি বন্ধে আইন আসছে : আইনমন্ত্রী