স্বদেশে ফেরার দাবিতে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ১২:০২, রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২, ৫ আষাঢ় ১৪২৯

সকাল থেকে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার দাবিতে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে বিক্ষোভ করছে রোহিঙ্গারা।

রোববার সকাল ৮টা থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নির্ধারিত স্থানে সমাবেশ শুরু হয়। ‘ব্যাক টু হোম’ শ্লোগানে সমাবেশে লাখো রোহিঙ্গা অংশগ্রহণ করে।

এসময় মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে নিজের দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে অনুরোধ জানিয়েছে রোহিঙ্গারা।

নির্যাতিত রোহিঙ্গারা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ১৯ দফা দাবি উত্থাপন করে।

একই দাবিতে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশের নেতৃত্বে ছিলেন দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ। তবে, এবারের সমাবেশের একক কোন আয়োজক কিংবা নেতৃত্ব পর্যায়ের কেউ সামনে না এলেও প্রচারপত্রে আয়োজক হিসেবে নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী লেখা হয়েছে।

এই বিক্ষোভে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রত্যেক রোহিঙ্গাকে আরাকানের গ্রামে গ্রামে প্রত্যাবাসন, প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত চুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ওআইসি, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, বাংলাদেশ, এনজিও, সংশ্লিষ্ট সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা, বার্মার ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন বাতিল, সম্পত্তি ফেরত, স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকারসহ ইত্যাদি দাবি উত্থাপন করা হয়।

উখিয়ার ৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “আমরা নিরাপদ প্রত্যাবাসন চাই। আশা করছি এবারের সমাবেশটির মাধ্যমে উত্থাপিত রোহিঙ্গাদের যৌক্তিক দাবিগুলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্ব পাবে।”

রোহিঙ্গা ইয়ুথ এসোসিয়েশনের সভাপতি কিন মং বলেন, “সম্মান ও মর্যাদার সাথে মিয়ানমারে ফিরতে চাই। সমাবেশে এই দাবিটাই জানাচ্ছি বিশ্ববাসীর কাছে। বাংলাদেশ সরকার আমাদের আশ্র‍য় দিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে, তাতে আমরা কৃতজ্ঞ।”

অতিরিক্ত শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা বলেন, “রোহিঙ্গারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দাঁড়িয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানাচ্ছে। তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হচ্ছে না।”

তবে, এখন পর্যন্ত দাঁড়িয়ে মানববন্ধন ছাড়া রোহিঙ্গাদের বড় কোনো জমায়েত কিংবা বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

ক্যাম্পে আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত ৮ এপিবিএন’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কামরান হোসাইন জানান, ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হচ্ছে। ক্যাম্প এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ৮ এপিবিএনের তৎপরতা সবসময় অব্যাহত আছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জঘন্য নৃশংসতায় মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকেরা নির্যাতিত হয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে বিতাড়িত হয়েছিল। যা ইতিহাসে রোহিঙ্গাদের সবচেয়ে ভয়াবহ দেশত্যাগ হিসেবে বিবেচিত।

বিষয়ঃ রোহিঙ্গা

Share This Article

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ প্রধানমন্ত্রীর ১৫ নির্দেশনা

জলবায়ু পরিবর্তনে দেশে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে : গবেষণা

রাখাইনে ৮০ জান্তা সৈন্যকে হত্যার দাবি আরাকান আর্মির

সিলেট বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ মন্ত্রীর

উন্নয়ন দেখতে কক্সবাজার যাচ্ছেন সব দেশের রাষ্ট্রদূত

এবার ন্যাটোর সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি রাশিয়ার

বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে ভারতের বিমানবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ব্যাখ্যা দিল মন্ত্রণালয়

সংরক্ষিত ৫০ নারী এমপির গেজেট প্রকাশ

বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে যে যুক্তি দিলেন প্রতিমন্ত্রী


শিগগির পুলিশ বাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে হেলিকপ্টার: প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্যখাতে এত অসঙ্গতি, মন্ত্রী হিসেবে দায় এড়ানো সম্ভব নয়: সামন্ত লাল সেন

প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাড়ছে ৭০ পয়সা পর্যন্ত

বিটিআরসির কমিশনার ও টেলিটকের এমডিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বুধবার ১৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ঋণের কিস্তি পরিশোধে ‘ডিফোল্ডার’ হয়নি : বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হবে : আপিল বিভাগ

পুলিশ বাহিনীকে মানুষের সেবায় আমরা গড়ে তুলছি: প্রধানমন্ত্রী

খাৎনায় মৃত্যুতে জিরো টলারেন্স : প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

২০৪১ সালের আগেই জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব: ডা. আব্দুল আজিজ