বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি কি অপরিহার্য্য?

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ১০:৫৩, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০

আগামী পহেলা মার্চ থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এমন সংবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানান আলোচনা-সমালোচনা। যদিও দ্রব্যমূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষ চাপের মুখে আছে, সেই বিবেচনায় সরকার ভর্তুকি দিয়ে বিদ্যুতের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করছে দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু বর্তমানে বৈশ্বিক নানা সংকটের কারণে এই ভর্তুর্কি কমিয়ে মূল্যবৃদ্ধি করা অপরিহার্য হয়ে পরেছে।

সূত্রমতে, বিশ্বের দাতা সংস্থা যেমন বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ যখন বাংলাদেশকে লোন দেয় তখন তার পূর্ব শর্ত থাকে, কোনো খাতে ভর্তুকি দেয়া যাবে না। আর কোনো রাষ্ট্রই সবসময় ভর্তুর্কি দেয় না। একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভর্তুর্কি দিয়ে থাকে। এই ভর্তুর্কি মূলত রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম কাঁচামাল হলো ফার্নেস ওয়েল। এটি আমদানি করতে প্রচুর পরিমাণে ডলার খরচ করতে হয়। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন ও ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের যুদ্ধের ফলে বিকল্প পথে বিদ্যুতের কাঁচামাল পরিবহণে ব্যাপক খরচ বেড়েছে। এজন্যই যেসব খাতে ভর্তুকি দেয়া হয় সেসবেরও দাম বাড়ানো হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যখন একটি দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হয় তখন ধাপে ধাপে ভর্তুর্কি কমানোর উদ্যোগ নেয় সরকার। তারই অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কেননা এখন দেশের মানুষ অনেকটা স্বাবলম্বী। এছাড়া মাথাপিছু আয়ও বেড়েছে। ফলে জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও ক্রয়ক্ষমতা রয়েছে মানুষের; যা আর্থ সামাজিক উন্নয়ন। তাই সরকারের ভর্তুকি কমানোর সিদ্ধান্ত যথার্থই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Share This Article


প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

৯৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: আবেদন যেভাবে

গরম নিয়ে যে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

‘৮ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল’

গরমে গতি কমিয়ে ট্রেন চালানোর নির্দেশ

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোট ২৯ মে

২১ নাবিক জাহাজে, ২ জন দেশে আসবেন বিমানে

বাজেটে থোক বরাদ্দের প্রস্তাব না করতে নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরব ও গাম্বিয়া সফর বাতিল

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন ১৭ এপ্রিল