শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা: অস্ত্র আইনে চার্জ গঠন

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৬:২২, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২, ২ আষাঢ় ১৪২৯

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলার চার্জ গঠন করা হয়েছে। 

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল ট্রাইবুনাল-৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মন্ডলের আদালতে ৪৯ জন আসামির মধ্যে সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৪০ জনের উপস্থিতিতে চার্জ গঠন করা হয়। 

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল লতিফ বলেন, ‘অস্ত্র আইনে মামলার চার্জ গঠন করা হয়েছে। আমরা আদালতে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছি, শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার সময় বোমা বিস্ফোরণ করা হয়। অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। আজকে অস্ত্র আইনে চার্জ গঠন করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইনের মামলায় দুইজন সাক্ষী হাজিরা দিয়েছিলেন। দুটো মামলা একইসঙ্গে চলবে।’ 

আগামী ২৯ জুন অস্ত্র মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে বলে জানান সরকারি এই কৌঁসুলি। 

পিপি আব্দুল লতিফ আরও জানান, পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে থাকা ৫০ জনের মধ্যে এক জন মারা গেছেন। ৯ জন আসামি পলাতক রয়েছেন। বাকি ৪০ আসামি চার্জ গঠনের সময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিররণে জানা যায়, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১০টায় শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০মিনিটের দিকে কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে রাস্তার উপর জেলা বিএনপির সভাপতি ও তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলামের হাবিব ও বিএনপি নেতা রঞ্জুর নির্দেশে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা যাত্রীবাহী বাস (সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯) আড় করে দিয়ে গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় তৎকালীন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতিন, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী সাথী ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে এক ডজন নেতাকর্মী আহত হয়।

এ ঘটনায় থানায় মামলা না নেওয়ায় ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন বাদী হয়ে যুবদল নেতা আশরাফ হোসেন, আব্দুল কাদের বাচ্চুসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৭০-৭৫ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। 

বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই হাইকোর্ট নিম্ন আদালতে মামলার কার্যক্রম নতুন করে শুরু করার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম নিতাই চন্দ্র সাহা ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। ২০১৫ সালের ১৭ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শফিকুর রহমান ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

মামলায় ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগ থাকায় তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে এর দুটি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতে বিচারাধীন। অপর মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ৫০ জনের ৪ থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা হয়।

দণ্ডিত আসামি মাহাফুজুর রহমান সাবু কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। গত ২৪ এপ্রিল বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও কারাগার থেকে বের হওয়ার আগেই ২৫ মে সুপ্রিম কোটের চেম্বার জর্জ জামিন স্থগিত করে দেন। 

Share This Article


মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন: যেভাবে মধ্যমণি হয়ে উঠলেন শেখ হাসিনা

১৪ মাস পর ঢাবি ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

কর্মীদের আদালত বর্জনের ডাক দিয়েও একে একে জামিন নিলেন বিএনপির নেতারা

‘দলের চেয়ে বউ বড়’ বলে পদ হারালেন বাবলা

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুক্তি: প্রশ্নবিদ্ধ অসহযোগ আন্দোলন

৯ মার্চ জাতীয় পার্টির কাউন্সিল ঘোষণা করলেন রওশন

দেশে বিএনপির চেয়ে বড় উগ্রবাদী আর কেউ নেই : ওবায়দুল কাদের

কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা

উপজেলা নির্বাচন: আগ্রহী বিএনপির তৃণমূল, জবাব নেই কেন্দ্রের

হাইকমান্ডের সাথে বিশেষ সখ্যতায় বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রুমিন ফারহানা!

পাকিস্তানের নির্বাচনের প্রভাব বিএনপিতে: আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার চিন্তা!

আওয়ামী লীগের যৌথসভা আজ