বঙ্গবন্ধু কন্যাকে নিয়ে রেজা কিবরিয়ার কটূক্তি : নিন্দার ঝড়

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ১২:৪৬, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৪ আশ্বিন ১৪৩০

ত্রিশ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল বাঙালির স্বাধীনতা। এই যুদ্ধ ছিল পশ্চিম পকিস্তানের সামরিক জান্তাদের বিরুদ্ধে। তাই শেখ হানিসা তাদের গালি দিবে এটাই সাভাবিক। কাজেই  ড. রেজা কিবরিয়ার এমন বক্তব্য অবশ্যই দেশ দ্রোহিতার শামিল। আর এর জন্য অবিলম্বে তাকে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলেও জানান নেটিজেনরা।

 

 

 

বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের একাংশের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়ার বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘সংবিধান ও গণতন্ত্র: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক  আলোচনা সভায় এই কটুক্তি মূলক বক্তব্য দেন তিনি। বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়।

ড. রেজা কিবরিয়া কটুক্তি করে বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের সময় পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক জান্তাদের হেফাজতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবার। যাদের টাকা পয়সায় নয় মাস কাটিয়েছেন, তাদেরকেই এখন গালি দেন তিনি। শেখ হাসিনার তো কোনো রিস্ক ছিল না। ভালো প্রটেকশনে ছিলেন, তারপরেও পাকিস্তানিদের প্রতি এমন মনোভাব কেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। 

রেজা কিবরিয়া আরও বলেন, আমি যতদূর জানি লেফট্যানেন্ট জেনারেল নিয়াজি প্রত্যেক সপ্তাহে এসে এক কাপ চা খেয়ে যেতেন এবং কুশল বিনিময় করতেন শেখ হাসিনার পরিবারের সাথে। এটা হয়তো আপনারা কেউ জানেন না। কাজেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পরিবর্তে উল্টো পাকিস্তানিদের গালিগালাজ করাটা ঠিক না। এটা খারাপ দেখায়। পাকিস্তানিরা হয়তো নিশ্চই এটা নিয়ে ভাবেন যে, এই পরিবারের প্রতি এতো কেয়ারিং নেওয়ার পরেও তাদের সম্পর্কে এগুলো বলেন।

এদিকে, ড. রেজা কিবরিয়ার এমন মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ তাকে পাকিস্তানি দালাল বলেও সম্বোধন করেছন।

নেটিজেনরা বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল বাঙালির স্বাধীনতা। এই যুদ্ধ ছিল পশ্চিম পকিস্তানের সামরিক জান্তাদের বিরুদ্ধে। তাদের শোষণ-বঞ্চনা ও বিমাতা সুলভ আচরণের বিরুদ্ধে। তাই শেখ হানিসা তাদের গালি দিবে এটাই সাভাবিক।

ইতিহাসবিদরা বলেন,  মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে নজরবন্দি রেখেছিলেন পাক সেনারা। এরই অংশ হিসেবে জেনারেল নিয়াজি সেই দায়িত্বটি পালন করেন। তার মানে এই নয় যে, তাদের টাকায় চলেছে শেখ হাসিনার পরিবার। আর এর জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করতে হবে। কাজেই এমন বক্তব্য অবশ্যই দেশ দ্রোহিতার শামিল। আর এর জন্য অবিলম্বে ড. রেজা কিবরিয়াকে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলেও জানান নেটিজেনরা।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


‘ঈদ স্পেশাল ট্রেন’ চলাচল শুরু আজ

৫ বছরের জন্য নেপালের জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার

১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

কাল থেকে চলবে ঈদ স্পেশাল ট্রেন

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

আশা যোগাচ্ছে নেপালের বিদ্যুৎ

সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার পাচ্ছে জমিসহ সেমিপাকা ঘর

‘কারুরত্ন’ হয়েছেন ঝিনাইদহের গোপেন্দ্র নাথ

সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে সহায়তা দিচ্ছে এডিবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাৎ

আমাদের গাফিলতি ছিল কি না তা দেখবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে আহ্ছানিয়া মিশনের সুপারিশ