যে কৌশলে সহিংসতা এড়িয়ে রাজপথ দখলে রাখতে চায় আওয়ামীলীগ

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৭:১২, রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৩, ২৬ চৈত্র ১৪৩০

দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে অবস্থান করছে মাঠের বিরোধী দল বিএনপি । দলটি একেরপর এক আন্দোলনের ডাক দিয়েও সফল হতে পারছে না। এমতবস্থায় সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে ঈদের পর বৃহত্তর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও রাজপথ দখলে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ জন্য ঈদের পর কর্মসূচির ধরনও পাল্টাবে ক্ষমতাসীনরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দেশে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতাও ঘটতে দেবে না তারা।

দলীয় সূত্র বলছে, আপাতত বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সহিংসতায় জড়াবে না আওয়ামী লীগ। তবে বিএনপির কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে দলীয় কর্মসূচির ধরন ঠিক করতে আগামী মে মাসে কার্যনির্বাহী সংসদের একটি বৈঠক করবে দলটি। বিএনপি ঢাকায় কর্মসূচি দিলে আওয়ামী লীগও দেশব্যাপী কর্মসূচি দেবে। আর বিএনপি ঢাকার বাইরে কর্মসূচি দিলে আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগরে কর্মসূচি দেবে। তবে বিএনপি সমাবেশ করলে আওয়ামী লীগ পাল্টা সমাবেশ না করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মানববন্ধন কর্মসূচি দেবে। পাশাপাশি মহানগর, থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে বলে প্রাথমিক কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সরকার পতন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ বিএনপির ১০ দফা দাবি আদায়ের কর্মসূচির নামে তারা যাতে সহিংসতা করতে না পারে, সে জন্য সতর্ক থাকতে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশ বাস্তবায়নে কেন্দ্র থেকে দলের তৃণমূলে চিঠি দেওয়া হবে। ওই চিঠিতে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহিংসতা এড়িয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার নির্দেশ থাকবে। আর যদি কোনো মহানগর, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ইউনিট নেতারা এতে ব্যর্থ হয়, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও থাকবে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বলছেন, বিএনপি ঈদের পর থেকে বড় ধরনের নতুন কর্মসূচি দেবে বলে শোনা যাচ্ছে। আমরাও কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবো। কিন্তু আমাদের কর্মসূচি থাকবে অহিংস। আমরা তাদের পাল্টা কোনো কর্মসূচি দেব না। পাল্টা কর্মসূচি দিলে সংঘাতের আশঙ্কা থাকে। তাই কর্মসূচির ধরন পাল্টে হলেও আমাদের দখলে থাকবে রাজপথ। কারণ সামনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাই এখন আর বসে থাকার সুযোগ নেই।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি তো বহুদিন থেকে একই কথা বলে আসছে। একই ক্যাসেট বাজাচ্ছে। তারা সরকারের পতন ঘটাবে। এই করবে, সেই করবে। গত ১০ ডিসেম্বর তারা বলেছিল, সরকারের পতন ঘটাবে। কিন্তু তারা কিছুই করতে পারেনি। এখন বলছে, ঈদের পর সরকার পতনের বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে। এখন তারা কী কর্মসূচি দেয়, সেটা আগে দেখি। তারপর আমরা কর্মসূচি দেব। প্রয়োজনে রাজপথ দখলে নতুন নতুন কর্মসূচি দেব, যা তাদের কল্পনাতেও নেই।

Share This Article


সামরিক শাসকের অধীনে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া ইউনূসের মুখে গণতন্ত্র!

ফের বিএনপি জামায়াত সম্পর্ক: উদ্বিগ্ন বিদেশি কূটনীতিকরা

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হলে বাড়বে গোপন তৎপরতা, মত শিক্ষাবিদদের

প্রসঙ্গ বুয়েট: ছাত্র রাজনীতি বন্ধের প্রচেষ্টা দেশের জন্য স্থায়ী অকল্যাণ বয়ে আনবে

বেগম জিয়ার ঘনঘন ‘ফিরোজা টু এভার কেয়ার’ রহস্য উন্মোচন!

যে কারণে অপসারণের আগেই গ্রামীণ ব্যাংক ছাড়তে চেয়েছিলেন ড. ইউনূস

মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন নয়, 'মাইনাস টু ফর্মুলা’র জনক ছিলেন ইউনূস!

ড. ইউনূসের পক্ষে আইনকানুন ও যুক্তির ব্যবহার নেই, আছে আবেগের বাড়াবাড়ি

আর রাখঢাক নয়: ফের প্ৰকাশ্য হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত সম্পর্ক!

ঈদকে সামনে রেখে আগত মৌসুমী ভিক্ষুকদের সাথে রিজভীর সাক্ষাৎ!

শামীম ইস্কান্দারের প্রশ্ন : খালেদা জিয়ার স্বার্থেই কি বিএনপি নির্বাচনে যেতে পারতোনা?

আল্লাহ কার কথা শুনবেন: ইউনুসের নাকি নির্যাতিত ঋণ গ্রহীতাদের?