প্রথম আলোর ‘মিথ্যা টোপ’ গেলেনি ভারত, পাঠানো হয় বিভ্রান্তিকর তথ্যও

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:০১, রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩, ১৯ চৈত্র ১৪৩০
  • নিজেদের দোষ আড়াল করতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয় বিদেশি গণমাধ্যমে।
  • এ কাজে প্রথম আলো পত্রিকারই সাবেক-বর্তমান কিছু সংবাদকর্মী সহায়তা করছেন
  • শামসুজ্জামান গ্রেফতার হতেই উঠেপড়ে লাগেন ‘অতিউৎসাহী’ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী।
  • সমাজে বিদ্যমান অন্যায়-অসংগতি তুলে ধরাই গণমাধ্যমের প্রধান কাজ।

স্বাধীনতা দিবসে প্রথম আলোর বিতর্কিত 'ফটো ফিচার' নিয়ে দেশজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়। রাষ্ট্রের ভিত্তিমূলে আঘাত হানায় গ্রেফতার হয়েছেন এর প্রতিবেদকও। এরপরই নিজেদের দোষ আড়াল করতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয় বিদেশি গণমাধ্যমে। আর এ কাজে প্রথম আলো পত্রিকারই সাবেক-বর্তমান কিছু সংবাদকর্মী সহায়তা করছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

সূত্র জানায়, বিদেশি গণমাধ্যমের একজন বর্তমানে প্রথম আলোতে কর্মরত। সংবাদ সূত্রে বিবিসি বাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার যাতায়াত রয়েছে। সেই ‍সুবাদে কোনো ধরনের অনুসন্ধান ছাড়াই দেশের বিতর্কিত সব সংবাদ ছাপে এসব গণমাধ্যম। এর মধ্যে একটি বিদেশি সংবাদ সংস্থার কার্যালয় রয়েছে রাজানীর কারওয়ান বাজারে। আর এখানে কর্মরত বেশিরভাগই জামায়াত-শিবিরের লোক বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক।

জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক বলেন, প্রথম আলোয় প্রকাশিত ২৬ মার্চের ভুল বার্তা বহনকারী ফটো ফিচার বা প্রতিবেদনের দায়ে করা মামলায় সাংবাদিক শামসুজ্জামান গ্রেফতার হতেই উঠেপড়ে লাগেন ‘অতিউৎসাহী’ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী। কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করেই প্রথম আলোর পক্ষে সাফাই গাইতে থাকেন। বিদেশি গণমাধ্যমেও প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। তবে মূল প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি আসে কারওয়ান বাজার প্রথম আলো অফিস থেকে।

বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও প্রতিবেদক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এ মামলায় শামসুজ্জামান কারাগারে রয়েছেন।’ অথচ ভুল, অসত্য ও ‘পলিটিক্যালি মোটিভেটেড’ হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন করার কারণে গ্রেফতার হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেনি বিদেশি গণমাধ্যম।

অন্যদিকে, স্বাধীনতা দিবসে মিথ্যা-বানোয়াট প্রতিবেদনটি আলোচনায় আসতেই ভারতের কয়েকটি বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকার মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ কয়েকজন। একই সঙ্গে বিবিসি বাংলা, এএফপির বিভ্রান্তিকর খবরের লিঙ্কও পাঠানো হয় তাদের কাছে। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়- ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রথম আলোর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে সরকার।’ কিন্তু তেমন সাড়া পাননি পত্রিকাটির নীতিনির্ধারকরা।

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, দেশের শীর্ষ একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে দৈনিক প্রথম আলো। হয়তো এই শক্তিবলেই এর সম্পাদক নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করেন। মাঝেমধ্যে ‘বিদেশি প্রেসক্রিপশন’ নিয়ে দেশবিরোধী কার্যকলাপেও জড়িয়ে পড়েন। অথচ সমাজে বিদ্যমান অন্যায়-অসংগতি তুলে ধরাই গণমাধ্যমের প্রধান কাজ। কিন্তু প্রথম আলো পুরোপুরিই ভিন্ন। মিথ্যা খবর ছাপিয়ে দেশের পরিস্থিতি টালমাটাল করার পাশাপাশি বিদেশি গণমাধ্যমেও ভালো সাজার চেষ্টা করেন পত্রিকাটির সম্পাদকসহ কর্মরতরা।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


প্রসঙ্গ বাজেট: খালেদা জিয়াকেও কি দুর্বৃত্ত বলবে বিএনপি?

বৈধ আয়ে কর ৩০%, কালো টাকায় ১৫% কেন

বিএনপি সরকার কেন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছিল?

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ কেন দেয়া হয়

হঠাৎ অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ কেন ফখরুলের?

বাজেট সমালোচনা যুগেযুগে: কেউ কারো বাজেটের প্রশংসা করেনি!

ছয়দফা কেন বাঙালির মুক্তির সনদ

ভারতে বিজেপি দুর্বল হওয়ায় বিএনপি খুশি, আওয়ামী লীগও খুশী!

জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যু পেয়েও সুযোগ হারাচ্ছে বিএনপি!

বন্ধ করে দেয়া ১৪৮ ফেসবুক আইডি বা পেজ এর মালিক কে?

কার অভিশাপের কথা বললেন ড. ইউনুস?

ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের দাম কোনোভাবেই বেশি নয়!