প্রথম আলোর বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার: সম্পাদক কেন ছাড় পাবেন?

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০১:০৮, শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০২৩, ১৭ চৈত্র ১৪২৯
  • 'প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট'র সম্পাদকীয় নীতি অনুযায়ী পরিচালিত হয় যেকোনো পত্রিকা।
  • নীতি অনুযায়ী জেলে থাকার কথা ছিল পত্রিকাটির সম্পাদক মতিউর রহমানের।
  • প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত দৈনিকটি।
  • বায়তুল মোকাররমের খতিবের কাছে করজোড়ে মাফ চেয়েছেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান।
  • সব অপকর্ম বা ষড়যন্ত্রের মূলহোতা তিনি।

নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি হাসিলে বারবারই বিতর্কিত সংবাদ পরিবেশন করে আসছে দৈনিক প্রথম আলো। এবার একটি শিশুর সঙ্গে ছলনা করে সাজানো হয় দেশবিরোধী মিথ্যা গল্প। প্রকাশ করা হয় প্রতিবেদনও। কিন্তু খবরটি ভাইরাল হতেই সরিয়ে নেয় সব মাধ্যম থেকে। গ্রেফতার হন এর প্রতিবেদকও। তবে সম্পাদক কেন গ্রেফতার হননি; এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিজ্ঞ মহলে।

'প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট'র সম্পাদকীয় নীতি অনুযায়ী পরিচালিত হয় যেকোনো পত্রিকা। সংবাদপত্রে মুদ্রিত সবকিছুর দায়িত্বভারও নিতে হয় সম্পাদক-প্রকাশককে। প্রথম আলো পত্রিকাও এর ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু এবারের স্বাধীনতা দিবসে মিথ্যা-বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশের দায়ে করা মামলায় এখন কারাগারে রয়েছেন সাভারে কর্মরত প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান। অথচ নীতি অনুযায়ী জেলে থাকার কথা ছিল পত্রিকাটির সম্পাদক মতিউর রহমানের। যদিও এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।

বিজ্ঞ মহলের দাবি, মাঠে কিংবা বিভিন্ন খাতে কাজ করা প্রতিবেদকরা অনেক কিছুই লিখতে পারেন। কিন্তু কোন প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হবে, কিভাবে বা কোন দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকাশিত হবে, আর কোনটি হবে না তা একান্তই সম্পাদকের দায়িত্ব। তাই প্রথম আলোয় প্রকাশিত ২৬ মার্চের ভুল বার্তা বহনকারী ফটো ফিচার বা প্রতিবেদনটির দায়-দায়িত্বও সম্পাদক এড়াতে পারেন না কোনোভাবেই; বরং পুরো দায়িত্বটি তার ওপরেই বর্তায়।

উল্লেখ্য প্রথম আলোর তথ্য সন্ত্রাস এবারই প্রথম নয়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত দৈনিকটি। ২০২১ সালে সরকারি গোপন নথি চুরির অভিযোগ ওঠে প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে। তখন রোজিনা জেল খাটলেও নিরাপদে ছিলেন পত্রিকাটির সম্পাদক। দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রদ্রোহীসহ নানান অপকর্ম করেও আড়ালে থাকেন তিনি।

এছাড়া ধর্ম নিয়ে বিকৃত কার্টুন প্রকাশের পরও নিজেদের প্রকাশনা ‘আলপিন’র কার্টুনিস্ট আরিফুর রহমানের ওপর দায় চাপিয়েছিল প্রথম আলো। আরিফুর রহমানও তখন গ্রেফতার হয়েছিলেন। চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন আলপিনের দায়িত্বে থাকা সুমন্ত আসলামও। তবে কর্মচারীর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বায়তুল মোকাররমের খতিবের কাছে করজোড়ে মাফ চেয়েছেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। এরপরই সব দায় থেকে তিনি মুক্তি পান।

একের পর এক প্রথম আলোর এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডকে সরল করে দেখার কোনো সুযোগ নেই বলে মনে করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী; এমনকি গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। তারা জানান, ‘গত ২৬ মার্চ দেশের স্বাধীনতা দিবসে শিশুর হাতে ১০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে প্রথম আলো যে বিতর্কিত প্রতিবেদন বানিয়ে প্রকাশ করেছে, তা শুধু সংবাদ সম্প্রচার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নীতিমালা বিরোধীই নয়, ফৌজদারী অপরাধও বটে। আর এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা উচিত।’

বিজ্ঞ মহল বলছেন, সবসময়ই গা বাঁচিয়ে চলার চেষ্টা করেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। অথচ সব অপকর্ম বা ষড়যন্ত্রের মূলহোতা তিনি। তাই সম্পাদকীয় ত্রুটির দায়ে প্রতিবেদকের বদলে মতিউর রহমানকে আইনের আওতায় আনা হোক। তাকে গ্রেফতার করলেই প্রথম আলোর আসল ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচিত হবে বলেও মনে করছেন তারা। 

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের বহিষ্কার, বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত নাকি কৌশল?

ভিনদেশি রাষ্ট্রদূত যেভাবে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন

ইন্ডিয়া আউট ও জামায়াত প্রসঙ্গে বিএনপিকে গণতন্ত্র মঞ্চের নানা প্রশ্ন

কর্মসূচির আগে লিয়াজোঁ কমিটি গঠনে চাপ বিএনপির মিত্রদের

সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে গুজব: শীর্ষে নাগরিক টিভি

বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন অবস্থান পরিবর্তনের নেপথ্যে

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া কেন শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন?

বিএনপি-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে কি ফাটল ধরেছে?

যুক্তরাষ্ট্রের ইউটার্ন না কৌশল পরিবর্তন

জেনারেল জিয়া কেন শেখ হাসিনাকে দেশে ঢুকতে দিয়েছিলেন

ডোনাল্ড লু'র যে বক্তব্যে কপালে চোখ সরকারবিরোধীদের!

ডোনাল্ড লু'তে ভুল ভাঙলো বিএনপির!