হজ প্যাকেজের মূল্য বৃদ্ধির কারণ কি

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:৩৫, শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩, ১১ চৈত্র ১৪২৯

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুন থেকে সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালিত হবে। এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬১৮ টাকা। এই প্যাকেজের মূল্য গত বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ২২ হাজার ৩৪০ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে খরচ বেড়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৭৮ টাকা। ফলে চলতি বছর হজ প্যাকেজের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা, যা গড়িয়েছে হাইকোর্ট পর্যন্ত। এরই প্রেক্ষিতে হ্জ প্যাকেজের মূল্যবৃদ্ধির ব্যখ্যা প্রদান করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ১৫ মার্চ আদালতের কাছে হজ প্যাকেজের খরচ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ডলারের দাম, বিমান ভাড়া, বাসা ভাড়া, ও মোয়াল্লেম ফি বৃদ্ধি পাওয়ায় খরচ বাড়ানো হয়েছে বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারিভাবে সমন্বয় করে হজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে। হজে যেতে বাংলাদেশ অংশে যে ব্যয় হয়, তার পরিমাণ আড়াই লাখ টাকা। আর সৌদি অংশের ব্যয় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। ফলে সৌদি অংশে যে ব্যয় হয় সেখানে সরকারের কিছু করার থাকে না। এটা আন্তর্জাতিকভাবেই সমন্বয় করতে হয়। হজে খরচ বৃদ্ধির প্রধানত তিন কারণ হলো:- বিমান ভাড়া, মুয়াল্লিম ফি এবং টাকার বিপরীতে সৌদি রিয়ালের দাম বৃদ্ধি।

কোন খাতে কত খরচ বাড়লো:

গত বছরের হজ প্যাকেজের সঙ্গে তুলনা করে দেখা যায়, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যাওয়া ও আসার বিমানভাড়া বেড়েছে ৪০ শতাংশের বেশি। গত বছর যাওয়া-আসার (রাউন্ড ট্রিপ) বিমানভাড়া ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এবার তা ৫৭ হাজার ৭৯৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা।

এদিকে বিমানভাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের জন্য বাড়িভাড়া বাবদ ব্যয়। গত বছর হজ প্যাকেজে বাড়িভাড়া (ভ্যাটসহ) ছিল ৬ হাজার ৫০৪ রিয়েল বা ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭ টাকা। এ বছর তা বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ২০১ রিয়েল বা ২ লাখ ৪ হাজার ৪৪৫ টাকা। গত বছর বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি রিয়েলের দাম ২৪ দশমিক ৩ টাকা হিসাব করা হয়েছিল। চলতি বছর তা হিসাব করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৩৯ টাকা।

হজের সময় পাঁচ দিন ধরে মিনা, আরাফাহ ও মুজদালিফায় হজযাত্রীদের বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে—তাঁবুর ব্যবস্থা করা, তাঁবুতে ম্যাট্রেস, বিছানা, চাদর, বালিশ, কম্বল, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও প্রতিদিনের খাবার সরবরাহ ইত্যাদি। মোয়াল্লেম সেবা হিসেবে পরিচিত এসব পরিষেবার জন্য খরচ গত বছর প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৫২০ রিয়েল বা ৬১ হাজার ২৩৬ টাকা (প্রতি রিয়েল ২৪ দশমিক ৩ টাকা ধরে) নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরে তা বেড়ে হয় ৫ হাজার ৬৫৬ রিয়েল বা ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।এ ছাড়া চলতি বছর হজ যাত্রীদের খাবার খরচ, জমজমের পানি, ভিসা ফি ও হজ গাইড বাবদ ব্যয়ও বেড়েছে।

তবে কয়েকটি খাতে সৌদি সরকার ছাড় দেয়ায় জনপ্রতি ১১ হাজার ৭২৫ টাকা কমানো হয়েছে যা হাজিদের ফেরত দেয়া হবে। এই টাকা ফেরত পাওয়ার পরে একজন হাজির সব মিলিয়ে খরচ হবে ৬ লাখ ৬০ হাজার ৮৮৭ টাকা  ।

উল্লেখ্য, এবার মিনার তাঁবুর ‘সি’ ক্যাটাগরির মূল্য অনুসারে সরকারি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদি সরকার ও  বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি সই হয় গত ৯ জানুয়ারি। হজ চুক্তি অনুযায়ী, এ বছর হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন নির্ধারন করা হয়েছে।

Share This Article


জলবায়ু মোকাবিলায় ‘লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী

‘ঈদ স্পেশাল ট্রেন’ চলাচল শুরু আজ

৫ বছরের জন্য নেপালের জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার

১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

কাল থেকে চলবে ঈদ স্পেশাল ট্রেন

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

আশা যোগাচ্ছে নেপালের বিদ্যুৎ

সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার পাচ্ছে জমিসহ সেমিপাকা ঘর

‘কারুরত্ন’ হয়েছেন ঝিনাইদহের গোপেন্দ্র নাথ

সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে সহায়তা দিচ্ছে এডিবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাৎ

আমাদের গাফিলতি ছিল কি না তা দেখবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী