আরাভের স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত যুবদলের ২ নেতা, নেপথ্যে তারেক রহমান!

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৮:০৬, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৩, ৯ চৈত্র ১৪২৯
  • ‘আরাভ জুয়েলার্স’ উদ্বোধনের পরই আলোচনায় আসে নামটি।
  • বেরিয়ে এলো  তার ‘ব্যবসায়িক পার্টনার’ চার যুবদল নেতা-কর্মীর নামও।
  • এর নেপথ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রয়েছেন।
  • অর্থপাচারে ঝুঁকি থাকায় তিনি নিজের নামে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান করেননি।

কয়েকদিন ধরেই দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের শিরোনামে রয়েছেন আরাভ খান। সম্প্রতি দুবাইয়ে ‘আরাভ জুয়েলার্স’ উদ্বোধনের পরই আলোচনায় আসে নামটি। এরপরই একে একে বেরিয়ে আসছে চমকপ্রদ সব তথ্য। এবার বেরিয়ে এলো  তার ‘ব্যবসায়িক পার্টনার’ চার যুবদল নেতা-কর্মীর নামও। এ যেন ‘কেঁচো খুঁড়তে সাপ’!  তবে তাদের নাম প্রকাশ্যে এলেও এর নেপথ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রয়েছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।

একটি জাতীয় দৈনিকের তথ্যমতে, আরাভের স্বর্ণের ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত রয়েছেন ঢাকার দোহারের রাফসান জামি ও শাকিব হোসেন। এর মধ্যে রাফসান দোহার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আর শাকিব সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া দোকানের তত্ত্বাবধায়ক উসমান গণি ও দুবাইপ্রবাসী কুমিল্লার শাহেদ আহমেদও যুবদলের সঙ্গে জড়িত। তারা চারজন মিলেই আরাভকে বড় অংকের অর্থ দিয়েছেন। তবে যুবদল নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ব্যবসার পুরো টাকা খাটিয়েছেন তারেক রহমান।

দুবাইয়ে স্বর্ণ ব্যবসায় নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন যুবদল নেতা রাফসান জামি। তিনি বলেন, ‘আরাভ জুয়েলার্সে’ বড় অংশের মালিক আমরা চারজন। কারণ সবচেয়ে বেশি আমরা বিনিয়োগ করেছি। এ দোকান আমাদের দিয়ে দেবেন আরাভ।’

এত টাকা কোথায় পেয়েছেন- এমন প্রশ্নে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি যুবদলের এই নেতা। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবদলের এক নেতা বলেন, দুবাইয়ে স্বর্ণ ব্যবসায় কয়কজন যুবদল নেতা-কর্মীর নাম এলেও মূলধন তারেক রহমানের। কেননা অর্থপাচারে ঝুঁকি থাকায় তিনি নিজের নামে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান করেননি। এজন্য নামে-বেনামে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। এরমধ্যে আরাভ জুয়েলার্সও রয়েছে। আর  এসব কাজে নিজের একনিষ্ঠ অনুসারীদের কাজে লাগান তিনি। ফলে কিছু নেতা-কর্মীর কর্মসংস্থানের পাশাপাশি নিজেকে দৃশ্যপটের আড়ালে রেখেও পকেট ভারী করছেন তারেক রহমান।

তথ্যমতে, ২০১৮ সালে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মামুন ইমরান খান হত্যাকাণ্ডের পর দুবাইয়ে পালিয়ে যান রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান। সেখানে তিনি বিএনপি নেতা তারেক রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একজনের আশ্রয়ে ওঠেন। একই সঙ্গে তার গোপন ব্যবসায় নামও লেখান তিনি, যে ব্যবসার মালিক মূলত তারেক রহমান।

এ প্রসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্য বলেন, আরাভকাণ্ডে এরই মধ্যে আমাদের কাছে যুবদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর নাম এসেছে। এর মধ্যে একজন নিজের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্বীকারও করেছেন। এরপরও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। তাদের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, দুবাইয়ে ‘আরাভ জুয়েলার্স’ উদ্বোধনের পর পলাতক আরাভ খানের নাম আলোচনায় উঠে এলে তাকে বাঁচাতে সাবেক একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে অত্যন্ত সুকৌশলে ফাঁসাতে চেয়েছেন তারেক রহমান। নিজের দোষ অন্যের গায়ে চাপাতে বিভিন্নভাবে চেষ্টাও করেছেন। কিন্তু যুবদলের নেতা-কর্মীদের নাম প্রকাশ্যে আসায় এবার নিজের ফাঁদে নিজেই ফেঁসে যাচ্ছেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

Share This Article


সুবিধাভোগীর মাইক্রোফোন কেড়ে নেয়ায় ক্ষেপে গেলেন প্রধানমন্ত্রী!

ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করলেও দেশটির বিরোধী দলের ভূমিকা এড়িয়ে গেলেন মির্জা ফখরুল!

১১ জুন: গণদাবির মুখে শেখ হাসিনাকে কারামুক্তি দেয় সরকার

টিআইবি এসব রিপোর্ট কেন দেয়?

তারেক রহমানের সাথে বেনজিরের একাধিকবার যোগাযোগের তথ্য বিশ্বাসযোগ্য কি?

প্রসঙ্গ বাজেট: খালেদা জিয়াকেও কি দুর্বৃত্ত বলবে বিএনপি?

বৈধ আয়ে কর ৩০%, কালো টাকায় ১৫% কেন

বিএনপি সরকার কেন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছিল?

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ কেন দেয়া হয়

হঠাৎ অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ কেন ফখরুলের?

বাজেট সমালোচনা যুগেযুগে: কেউ কারো বাজেটের প্রশংসা করেনি!

ছয়দফা কেন বাঙালির মুক্তির সনদ