বিএনপির আন্দোলন:সত্য হলো যে সন্দেহ!

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৯:০১, সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩, ৬ চৈত্র ১৪২৯

গত ১৮ মার্চ দেশের বিভিন্ন মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল বিএনপির শেষ রাজপথের কর্মসূচি। কারণ চলতি সপ্তাহেই রমজান মাস শুরু হবে। এ সময় ইফতার কর্মসূচি থাকলেও রাজপথের কোনো কর্মসূচি থাকবে না এটা মোটামুটি নিশ্চিত বলে জানা গেছে। তবে রমজানের পর পুনরায় সরকার বিরোধী কঠোর আন্দোলন শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরইমধ্যে তার এই বক্তব্য নিয়ে কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সবাই একে ‘সন্দেহ সত্যি হলো’ বলেই আখ্যা দিয়েছেন।

 

বিএনপির রাজনীতিতে নিস্ক্রিয়ই বলা চলে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দন্ড মাথায় নিয়ে অবস্থান করছেন লন্ডনে। এ অবস্থায় দলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মূলত এখন তাঁর কথাতেই চলছে দলের আন্দোলন ও পদযাত্রার মতো কর্মসূচিগুলো। তবে ফখরুলের নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত কোনো আন্দোলনেই সফলতা আসেনি। এখন ঈদের পর নতুন আন্দোলন প্রশ্নে মুখ খুলছেন দলের কেন্দ্রীয় এবং তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীরা।    

তারা বলছেন, রমজান মাসের আগ পর্যন্তই বিএনপির জন্য শেষ সুযোগ ছিল। কিন্তু এতোদিন ধরে আন্দোলন করেও দল এখন পর্যন্ত কিছুই অর্জন করতে পারেনি। চলতি সপ্তাহেই শুরু হবে পবিত্র রমজান এবং এরপর ঈদুল ফিতর এবং এরপর বর্ষা  মৌসুম শুরু হবে। ফলে আগস্ট পর্যন্ত বিএনপির আর বড় ধরনের আন্দোলন করার পরিস্থিতিতে থাকবে না।

অন্যদিকে, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর মাসে বিভিন্ন পরীক্ষা বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক সহ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা রয়েছে। আর নভেম্বর থেকে দেশ নির্বাচনমুখী হবে। কাজেই বিএনপি আর নতুন করে আন্দোলন করার সুযোগই পাবে না। এর দায় মহাসচিব মির্জা ফখরুলকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতাকর্মীরা।  

ফখরুলের ভূমিকা রহস্যজনক আখ্যা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আন্দোলনকে পরিচালনা করেছেন, যা পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো, যেকারণে চলমান আন্দোলনের শেষ পরিণতি নিয়ে এক ধরনের সংশয় ছিল। আর এখন সেই সংশয়ই বাস্তব হল।

একে সরকারের সাথে আঁতাতের ফল আখ্যা দিয়ে নেতাকর্মীরা আরও বলেন, অতীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যতবার জেলে গিয়েছেন এবং মুক্তির পাওয়া পর তিনি অসুস্থ্য হয়ে প্রথমে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। বিদেশ থেকে ফিরে এসে তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন এবং আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি। সবাই ধারণা করছেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়ে বিএনপিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিয়ে গিয়ে ভরাডুবি করিয়েছিলেন ফখরুল। এবারও তেমনটাই হতে যাচ্ছে। এ যাত্রায় বিএনপির আন্দোলন এখানেই শেষ বলেও জানান নেতাকর্মীরা।

বিষয়ঃ বিএনপি

Share This Article


ধর্মের বিকাশে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যা যা করেছেন তেমনটি আর কেউ করেননি: কাদের

উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের বহিষ্কার, বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত নাকি কৌশল?

ভিনদেশি রাষ্ট্রদূত যেভাবে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন

ইন্ডিয়া আউট ও জামায়াত প্রসঙ্গে বিএনপিকে গণতন্ত্র মঞ্চের নানা প্রশ্ন

কর্মসূচির আগে লিয়াজোঁ কমিটি গঠনে চাপ বিএনপির মিত্রদের

সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে গুজব: শীর্ষে নাগরিক টিভি

বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন অবস্থান পরিবর্তনের নেপথ্যে

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া কেন শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন?

বিএনপি-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে কি ফাটল ধরেছে?

যুক্তরাষ্ট্রের ইউটার্ন না কৌশল পরিবর্তন

জেনারেল জিয়া কেন শেখ হাসিনাকে দেশে ঢুকতে দিয়েছিলেন

ডোনাল্ড লু'র যে বক্তব্যে কপালে চোখ সরকারবিরোধীদের!