যে কারণে জন্মদিন পালন করতেন না বঙ্গবন্ধু

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ১০:০১, শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০২৩, ৩ চৈত্র ১৪২৯

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনও নিজের জন্মদিন পালন করেননি। দিনটি স্বাভাবিক দিনের মতোই পার করতেন তিনি। এ নিয়ে শেখ মুজিব বলেছিলেন, ‘আমি আমার জন্মদিন পালন করি না। যে জাতি অর্ধাহারে, অনাহারে দিন কাটায়, কথায় কথায় গুলি করে হত্যা করা হয়, সে জাতির নেতা হিসেবে আমি জন্মদিন পালন করতে পারি না।’

বিশেষ দিনটি পালন না করলেও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করতেন বঙ্গবন্ধু। তবে দেশের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি জন্মদিন কেটেছে তার কারাগারেই। তারমধ্যে ১৭ মার্চ ১৯৬৭ সালে, মহানায়কের ৪৮তম জন্মদিনটি ছিল একটু অন্যরকম।

কারাগারের রোজনামচা বইটিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘আজ আমার জন্মবার্ষিকী। এই দিনে ১৯২০ সালে পূর্ব বাংলার এক ছোট্ট পল্লীতে জন্মগ্রহণ করি। আমার জন্মবার্ষিকী আমি কোনোদিন নিজে পালন করি নাই। বেশি হলে আমার স্ত্রী এই দিনটাতে আমাকে ছোট্ট একটা উপহার দিয়ে থাকতো। এই দিনটিতে আমি চেষ্টা করতাম বাড়িতে থাকতে।একবার খবরের কাগজে দেখলাম ঢাকা সিটি আওয়ামী লীগ আমার জন্মবার্ষিকী পালন করছে। বোধ হয়, আমি জেলে বন্দি আছি বলেই। আমি একজন মানুষ, আর আমার আবার জন্মদিবস! দেখে হাসলাম।’

আরেকটি জন্মদিনের কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু লিখেন,  ‘মাত্র ১৪ মার্চ রেণু ছেলেমেয়েদের নিয়ে দেখতে এসেছিল। আবার এত তাড়াতাড়ি দেখা করতে অনুমতি কি দিবে? যদি আমার ছেলেমেয়েরা ও রেণু (বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব) আসতো ভালোই হতো।তবে পরিবারের সদস্যরা আবারো আসবে বলে আত্মবিশ্বাসও ছিল। অবশ্য ওইদিন (১৭ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে ছেলেমেয়েদের নিয়ে স্ত্রী কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। একসঙ্গে কাটেন জন্মদিনের কেকও।

শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের বঙ্গ প্রদেশের অন্তর্ভূক্ত ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। সেখানে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান গোপালগঞ্জ আদালতে সেরেস্তাদারের চাকরি করতেন। আর মা সায়েরা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে বঙ্গবন্ধু ছিলেন তৃতীয় সন্তান।

বাংলার হাজার বছরের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু একজনই জন্মেছিলেন। যার জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হতো না। এজন্য ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।আজকের তরুণ প্রজন্ম এই মহান নেতার আদর্শ থেকেই দেশ গড়ার অনুপ্রেরণা লাভ করে।

Share This Article


‘ঈদ স্পেশাল ট্রেন’ চলাচল শুরু আজ

৫ বছরের জন্য নেপালের জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার

১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

কাল থেকে চলবে ঈদ স্পেশাল ট্রেন

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী

আশা যোগাচ্ছে নেপালের বিদ্যুৎ

সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার পাচ্ছে জমিসহ সেমিপাকা ঘর

‘কারুরত্ন’ হয়েছেন ঝিনাইদহের গোপেন্দ্র নাথ

সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে সহায়তা দিচ্ছে এডিবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সাক্ষাৎ

আমাদের গাফিলতি ছিল কি না তা দেখবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে আহ্ছানিয়া মিশনের সুপারিশ