প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশ্বনেতাদের অনুরোধ: ইউনূসের প্রতি ইতিবাচক পদক্ষেপ নিন

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৪:৩৮, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০২৩, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৯

শান্তিতে নোবেলজয়ী বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবার একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন রাজনীতি, কূটনীতি, ব্যবসা, শিল্পকলা ও শিক্ষা ক্ষেত্রের ৪০ জন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব, যা ৭ মার্চ ড.ইউনুস এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অপেশাদার ব্লগ 'প্রটেক্ট ইউনুস ডট ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম' এ প্রকাশিত হয়, যা একই তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের পূর্ণ পাতায় বিজ্ঞাপন হিসেবেও ছাপা হয়।

চিঠিতে উল্লেখিত ব্যক্তিদের  তালিকায় রয়েছেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, দেশটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর, টেড কেনেডি জুনিয়র, যুক্তরাজ্যের হাউস অফ লর্ডস সদস্য ব্যারোনেস হেলেনা কেনেডি, আইরিশ রক তারকা বোনো, হলিউড অভিনেত্রী শ্যারন স্টোন প্রমুখ।

'Global Leaders Appeal to the Bangladeshi Prime Minister Regarding the Treatment of Professor Muhammad Yunus in An Open Letter' শিরোনামে প্রকাশিত চিঠিতে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়,
It is therefore painful to see Prof. Yunus, a man of impeccable integrity, and his life’s work unfairly attacked and repeatedly harassed and investigated by your government.
অর্থাৎ, 'মুহাম্মদ ইউনূসের মতো একজন অনবদ্য পরিশুদ্ধ মানুষ ও তার কার্যক্রমগুলো আপনার সরকারের অন্যায় আক্রমণের শিকার হচ্ছে।বারবার হয়রানি ও তদন্তের মধ্যে পড়ছে। এমনটা দেখতে পাওয়া বেদনাদায়ক।'

সমালোচকরা বলছেন,চিঠিতে ড. ইউনূসের প্রতি সরকারের অন্যায় আক্রমণের কথা বলে উদ্বেগ জানালেও সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উপস্থাপন না করে ঢালাও অভিযোগ করা হয়েছে এবং তদন্ত'র কথাও বলা হয়েছে, যার সাথে সরকারের ইচ্ছা অনিচ্ছার কোনো সম্পর্ক নেই।যেগুলো সম্পূর্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনী বিষয়।

তবে চিঠির শেষের দিকে ভাষা ছিল খুবই নরম সুরের। চিঠির পরিশেষে ড. ইউনূসকে নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ দিতে অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আমরা বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে আপনাকে লিখছি। আপনার দেশের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা থেকেই আমরা আপনাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকদের একজন, ড. ইউনূসের অবদানকে সমর্থন ও স্বীকৃতি দিতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লিখছি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে যে কোন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্বিঘ্ন  সুযোগ পাচ্ছেন ড. ইউনূস। তিনি দেশের সর্বত্র অবাধে  বিচরণ করছেন।বিনা বাধায় তার সকল সম্পদ দেশে আসছে, আবার দেশের বাইরেও যাচ্ছে। তার পরেও কেন ড. ইউনূসের পক্ষে সুযোগ চাওয়া হচ্ছে এই নিয়ে নানান প্রশ্ন আসছে, বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আসলে তিনি কি চাচ্ছেন, নিজের সাফাই গেয়ে হঠাৎ কেন ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপালেন, প্রফেসর ইউনূসের উদ্দেশ্যটাই বা  কি?

দেশে একজন নোবেল বিজয়ী অবাধে কাজ করতে পারেননা বা তার প্রতি সরকারের নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে, দেশ-বিদেশে সরকারের এমনভাবমূর্তি  প্রদর্শন করতেই এ উদ্যোগ কিনা, প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সরকারের বিরুদ্ধে এটি নতুন ষড়যন্ত্রের অংশ কি না তাও খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছেন তারা।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের: হার্ড লাইনে যেতে পারে সরকার!

কোটা আন্দোলনের নেতা রাফি: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন মুক্তিযোদ্ধা কোটায়

সংবিধানের কোন ধারা বলে কোটা: বাতিল করলে তাদের কী হবে?

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা নিয়ে কেন আলোচনা হলো না?

চীন থেকে কি নিয়ে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম চর্চা ও প্রচারণায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য ঈর্ষণীয়, তবু কেন অপপ্রচার?

কোটা সংস্কার আন্দোলন:শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক জয়, তবু কেন কর্মসূচি?

রাজধানীর মোড়ে মোড়ে অবরোধ, পথে পথে ভোগান্তি

কোটা আন্দোলনের নাটাই শিবিরের হাতে: রাজপথ দখল করে নামাজ ও দলীয় সংগীত!

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু, অতি ভারী বৃষ্টির আভাস

কোটা আন্দোলন: সুখবর দিলো উচ্চ আদালত, তবু শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান!

কোটা বাতিলের পক্ষে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে সরকারই!