সরকারি হাসপাতালেই চেম্বার করবেন চিকিৎসকরা

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৩:৫৪, শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১১ ফাল্গুন ১৪২৯

সরকারি হাসপাতালেই আলাদা শিফটে চিকিৎসকদের প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসকরা চেম্বার করবেন। তবে বেসরকারি হাসপাতালে চেম্বারের মতো খরচ এখানে থাকছে না। ১৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা খরচ এক্ষেত্রে নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী মার্চ থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে চাচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

 

এ সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বৈঠক হয়। এ বিষয়ে আরও কয়েকটি বৈঠকের প্রয়োজন আছে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত কমিটির প্রধান সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, আজ বৈঠক হয়েছে। তবে আরও বৈঠক প্রয়োজন আছে। আমরা চাচ্ছি মার্চ থেকেই এই নীতিমালা কার্যকর করতে।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছিলেন, মার্চ থেকে সরকারি হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অনুমতি দেওয়া হবে।

চিকিৎসকদের এই সুযোগ করে দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ‘ইনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিস নীতিমালা’ নামে একটি খসড়া তৈরি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ৩০০ টাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট ও অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর) ও ১৫০ টাকায় এমবিবিএস চিকিৎসক দেখাতে পারবেন রোগীরা। রোগী দেখার টাকা সরকারি তহবিলে জমা হবে; পরবর্তীতে তা চিকিৎসক, কর্মচারী ও হাসপাতালের ফান্ডে বণ্টন করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে নীতিমালায়।

বর্তমানে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকরা রোগী দেখেন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এরপর বেশিরভাগ চিকিৎসক বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখে থাকেন।

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রোগী দেখবেন চিকিৎসকরা। তবে বিকালে অফিস শেষে মানুষ যাতে সেবা নিতে পারে সেজন্য ৩টা থেকে ৭টা পর্যন্ত রোগী দেখার সময় নির্ধারণের পরিকল্পনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের।

নীতিমালা অনুযায়ী, রোস্টার ভিত্তিতে প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট ও অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসররা দুই দিন করে রোগী দেখবেন। এক্ষেত্রে টিকিট নেওয়া যাবে দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ফি ৩০০ টাকা।

এই ৩০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পাবেন চিকিৎসক, চিকিৎসকের সহকারী পাবেন ৫০ টাকা এবং বাকি ৫০ টাকা জমা হবে হাসপাতালের তহবিলে। আর এমবিবিএস চিকিৎসকের ১৫০ টাকা ফি’র মধ্যে চিকিৎসক পাবেন ১০০ টাকা, সহকারী ২৫ ও সরকারি তহবিলে জমা হবে ২৫ টাকা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও ল্যাব ব্যবহারের জন্য চিকিৎসকদের ফির একটি অংশ সরকারি তহবিলে জমা পড়বে। প্রথম পর্যায়ে ৩১ মার্চের মধ্যে দেশের ৫০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২০টি জেলা হাসপাতাল, আটটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতালে এই সেবা চালু হবে।

পরবর্তীতে, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে দেশের সব হাসপাতালে ইনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিস চালু করা হবে বলে জানা যায়।

২০১১ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বিকালে রোগী দেখেন চিকিৎসকেরা। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগী দেখেন। ২০০ টাকার টিকিট দিয়ে ২৪টি বিভাগের চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারেন রোগীরা।

Share This Article


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী তৎপরতার তথ্য পেলেই অভিযান : র‍্যাব

‘সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিনিময়ের মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতি ঋদ্ধ হবে’

‘ফিরে এসেছিলাম বলেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি’

বাংলাদেশের গণতন্ত্র শেখ হাসিনার হাতেই সুরক্ষিত : খাদ্যমন্ত্রী

গণভবনে ফুলেল শুভেচ্ছা সিক্ত শেখ হাসিনা

৬ জুন বাজেট দেব, বাস্তবায়নও করব : প্রধানমন্ত্রী

জনগণ তথ্যপ্রযুক্তির সুফল ব্যাপকভাবে পেতে শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

কুমিল্লায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ৫

দেশের আট অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একদিন বিশ্বের রোল মডেল হবে: ইসি হাবিব