পদ্মাসেতু: স্বাধীনতা পরবর্তী বাঙালির সবচেয়ে বড় অর্জন

ফাইল ফটো
ফাইল ফটো

বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবার হলো সত্যি। পদ্মা বহুমুখী সেতু এখন আর স্বপ্ন নয়, রূপ পেল বাস্তবে। নানা ষড়যন্ত্র, বাধা-বিপত্তি, চ্যালেঞ্জ ও দেশি-বিদেশি সমালোচকদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বহুকাঙ্ক্ষিত পদ্মাসেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সূচনা ঘটবে এক নবযুগের। দ্বিতল পদ্মাসেতুর নিচ তলায় চলবে রেল আর দ্বিতীয় তলায় চার লেনের সড়কে চলবে যানবাহন।



পদ্মাসেতু দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষে কাছে শুধু স্বপ্নের সেতু নয়, বরং এটি কঠিন বাস্তবতার আরেক রূপও। পদ্মা পাড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত সময় চাকরির সাক্ষাৎকারে যেতে না পারা বেকার যুবকগুলো বুঝে পদ্মাসেতুর বাস্তবতা, লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মুমূর্ষু রোগীকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করতে না পেরে স্বজন হারানো মানুষগুলো বুঝে সেতুর বাস্তবতা, ফেরিতে ওঠার জন্য স্বজনদের শেষ বিদায় দিতে না পারা মানুষগুলো বুঝে পদ্মাসেতুর বাস্তবতা, একটু সচ্ছলতার জন্য অনেক কষ্টের টাকায় বিদেশ যেতে টিকেট কেটেও ফ্লাইট মিস করা মানুষগুলো বুঝে পদ্মসেতুর বাস্তবতা।

পদ্মার বুকে এই সেতু নির্মাণ ছিল অকল্পনীয়। কেননা বিশ্বের উত্তাল নদীগুলোর মধ্যে পদ্মা অন্যতম। পানিপ্রবাহের দিক থেকে দক্ষিণ আমেরিকার আমাজনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী পদ্মা। এ ধরনের খরস্রোতা নদীতে এর আগে কখনো সেতু নির্মাণ হয়নি। নদীর তলদেশে সেতুর যে কাজ হয়েছে; সেখানে পদ্মার পানিপ্রবাহ আমাজন নদীর পরই। এ হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পানিপ্রবাহের মধ্যে নির্মিত হলো পদ্মাসেতু। আর সেটি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে।

পদ্মায় প্রতি সেকেন্ডে এক লাখ ৪০ হাজার কিউবিক মিটার পানি প্রবাহিত হয়। এমন একটি নদীর উপর সেতু নির্মাণ করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের দ্বিতল সেতুতে উপরের তলায় চার লেনের সড়ক এবং নিচের তলায় ট্রেন লাইন।

পদ্মাসেতু ফাউন্ডেশন ও টেকনিক্যাল দিক বিবেচনা করলে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু। কাজটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়েছে। পদ্মাসেতু প্রকল্প বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে সবচেয়ে বড় প্রকল্প। অবকাঠামোগত দিক দিয়েও বৃহত্তম প্রকল্প এটি।

২০০৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) বৈঠকে ১০ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি বাজেটে প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এরপর দুই দফা সংশোধন হয়ে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকার বাজেটে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়। সেতু নির্মাণ করতে চ্যালেঞ্জের শেষ ছিল না। পদ্মার হাত থেকে সেতুকে বাঁচাতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ও যোগ করতে হয় নির্মাণকারীদের। প্রকল্পটি সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়ায় সেতু নির্মাণ কঠিন হলেও যথাযথভাবে সম্পন্ন হয় এর কাজ।

যমুনা নদীর উপর হওয়া ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বঙ্গবন্ধু সেতুটি ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেতু। তবে পদ্মাসেতু বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ পেলো নতুন গর্বের স্থাপনা।

প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এ সেতু দিয়ে ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়কপথে যুক্ত হবে দক্ষিণ জনপদের ২১ জেলা। এ সেতু হলে দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে, প্রতিবছর শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য বিমোচন হবে।

পদ্মাসেতুর কারণে এরই মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বড় বড় মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে শিল্প, কল-কারখানার মালিকসহ অনেক ব্যবসায়ী জায়গা কেনার ফলে এলাকাগুলোর জমির দাম দিন দিন বেড়েই চলছে।

এর ফলে ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই সহজ হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীরা ঢাকা থেকে মালামাল ক্রয় করে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে পারবেন। পদ্মাসেতু ও রেল সড়ক চালু হলে ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর, বেনাপোল বন্দর, মংলা পোর্ট ও ভোলা বন্দরের সঙ্গে মালামাল আনা-নেয়া খুবই সহজ ও সময় সাশ্রয় হবে। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক দৃষ্টিনন্দন ৬ লেনের হাইওয়ে এক্সপ্রেস দেখতে ভিড় করছেন। পর্যটন কেন্দ্রে সাগরকন্যা কুয়াকাটায় খুব সহজে ও কম সময়ে পৌঁছাতে পারবে ভ্রমণ পিপাসুরা। প্রতিটি সেক্টরে এখনই ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে।

পদ্মাসেতুর উদ্বোধন হলে খুলনা, বরিশালসহ পুরো দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পাশাপাশি লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ এর সঙ্গে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে।

পদ্মার দুই তীরে সেতু করতে প্রাথমিকভাবে ৭ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন প্রকৌশলীরা:

১. পদ্মা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বিশাল এবং প্রমত্তা নদীগুলোর একটি। এ নদীর যে জায়গায় সেতুটি নির্মিত হয়, সেখানে নদী প্রায় ৬ কিলোমিটার প্রশস্ত। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।

২. পদ্মাসেতু শুধু মাত্র সড়ক সেতু নয়। একই সঙ্গে এই সেতুর ওপর দিয়ে যাবে ট্রেন। এছাড়া রয়েছে গ্যাস পাইপলাইন ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। দুই তলা ব্রিজের উপর দিয়ে যাবে গাড়ি, নিচের লেভেলে থাকবে ট্রেন লাইন।

৩. পদ্মা এক খরস্রোতা নদী। দুই তীরে ভাঙ্গাগড়া চলে প্রতি বছর। বর্ষাকালে পদ্মানদীতে স্রোতের বেগ এত বেশি থাকে যে, সেতুর নকশা করার সময় প্রকৌশলীদের কাছে এটি এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। একদিকে গঙ্গা, আরেকদিকে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ এশিয়ার এ দুটি বিশাল এবং দীর্ঘ নদীর অববাহিকার পানি এ পদ্মা দিয়েই বঙ্গোপসাগরে নামে। উজান থেকে নেমে আসা এ স্রোতের ধাক্কা সেতুকে সামলানোর বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হিসেবে ছিল।

৪. বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পলি বহন করে গঙ্গা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদ। বলা যেতে পারে এ দুই নদীর পলি জমেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের অনেকখানি অঞ্চল। এ সেতুর নকশা করার ক্ষেত্রে এই নদীতে বাহিত পলির বিষয়টিকে বিবেচনায় নিতে হয়েছে প্রকৌশলীদের।

৫. পদ্মাসেতু নির্মিত হয়েছে এমন এক অঞ্চলে যেখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকিও আছে। এ নিয়ে সেতুর নকশা তৈরির আগে বিস্তর সমীক্ষা করা হয়েছে। কিছু সমীক্ষা করেছে বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। সেতুর নকশাটিকে এজন্যে ভূমিকম্প সহনীয় করতে হয়েছে।

৬. পদ্মাসেতুর ভিত্তির জন্য পাইলিংয়ের কাজ করতে হয়েছে নদীর অনেক গভীরে। বিশ্বে কোনো নদীর এতটা গভীরে গিয়ে সেতুর জন্য পাইলিংয়ের নজির খুব কম। প্রকৌশলীদের জন্য এটাও এক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

৭. এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প। খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। বিশ্বব্যাংক অনৈতিক কারণ দেখিয়ে এ প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ানোর পর কোনো প্রকার বিদেশি সাহায্য ছাড়া বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এটি করছে। নিজের খরচে এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের নজির বাংলাদেশে আর নেই।

বিশ্বে দীর্ঘতম সেতু হিসেবে কততম স্থানে পদ্মাসেতু?

বঙ্গবন্ধু সেতুকে টপকে বিশ্বে দীর্ঘতম সেতু হিসেবে ১১তম স্থান দখল করে নিয়েছে পদ্মা সেতু।

পদ্মাসেতুর সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। এরমধ্যে রয়েছে- নদী শাসন, মূল সেতুর নির্মাণকাজের পাইলিং, মূল সেতুর উপরিভাগ, দু’টি লিংক রোড।

প্রকল্পের নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প

প্রকল্পের বিভিন্ন উপাঙ্গসমূহ:

১. নদী-শাসন কাজ ২. মূল সেতু ৩. জাজিরা সংযোগ সড়ক ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা ৪. মাওয়া সংযোগ সড়ক ও আনুষঙ্গিক

সুযোগ-সুবিধা:

১. সার্ভিস এরিয়া-২ ২. পুনর্বাসন ৩. পরিবেশ ৪. ভূমি অধিগ্রহণ ৪. সিএসসি (মূল সেতু ও নদী-শাসন) ৫. সিএসসি (সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া-২) ৬. ইঞ্জিনিয়ারিং সাপোর্ট অ্যান্ড সেফটি টিম (ইএসএসটি)

মূল সেতু দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কিলোমিটার

ঠিকাদার: চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন, চায়না।

* চুক্তি মূল্য: ১২,১৩৩.৩৯ কোটি টাকা।
* চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: জুন ১৭, ২০১৪।
* কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ: নভেম্বর ২৬, ২০১৪।

★ নদী-শাসন কাজের দৈর্ঘ্যে ১৪ কিলোমিটার

ঠিকাদার: সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড, চায়না।
চুক্তি মূল্য: টাকা ৮ হাজার ৭০৭.৮১ কোটি।
চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: নভেম্বর ১০, ২০১৪।
কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৪।

জাজিরা সংযোগ সড়ক ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা:

ঠিকাদার: এএমএল-এইচসিএম(জেভি)
চুক্তি মূল্য: টাকা ১০৯৭.৪০ কোটি।
কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ: অক্টোবর ৮, ২০১৩।

★ মাওয়া সংযোগ সড়ক ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা:

* ঠিকাদার: এএমএল-এইচসিএম(জেভি)
* চুক্তি মূল্য: টাকা ১৯৩.৪০ কোটি।
* কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ: জানুয়ারি ২৭, ২০১৪।

★ সার্ভিস এরিয়া-২:

* ঠিকাদার : আব্দুল মোনেম লিমিটেড।
* চুক্তি মূল্য: টাকা ২০৮.৭১ কোটি।
* কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ: জানুয়ারি ১২, ২০১৪।
* মোট প্লটের সংখ্যা: ২৬৯৮টি।
* আবাসিক প্লটের সংখ্যা: ২৬১৮টি।
* বাণিজ্যিক প্লটের সংখ্যা: ৮০টি।

পদ্মাসেতু ও হাইওয়ে এক্সপ্রেস:

ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৬ লেনের ৫৫ কিলোমিটার সড়কে রয়েছে তিনটি বড় সেতুসহ ২৫টি সেতু, ২৩টি ফ্লাইওভার, ১৯টি আন্ডার পাস, ৫৪টি কালর্ভাট, চারটি রেলওয়ে ওভারপাস, পদ্মাসেতুর দু’টি টোল-প্লাজাসহ রয়েছে চারটি টোল-প্লাজা। এছাড়া পদ্মাসেতু ও হাইওয়ে এক্সপ্রেসে পাল্টে গেছে ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সংযোগ স্থান ভাঙ্গা বিশ্বরোড মোড় গোল চত্বরের চেহারা। এখানে ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে ছয় কিলোমিটার জায়গা নিয়ে দৃষ্টিনন্দন গোল চত্বরটি তৈরি করা হয়েছে। এ সড়কে গাড়ি চলাচলে থাকবে না কোনো সিগনাল বা ট্রাফিক জ্যাম। ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসয়েতে থাকবে বেশ কয়েকটি বাস স্টপেজ।  

এছাড়া ছোট ছোট যানবাহন চলাচলের জন্য মহাসড়কের দুই পাশে পাঁচ মিটার এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য মূল দুই রাস্তার মাঝখানে পাঁচ মিটার অতিরিক্ত রাস্তা রয়েছে। ভবিষ্যতে পাঁচ মিটার রাস্তাটি মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বর্তমানে এ পাঁচ মিটারের দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান করা হয়েছে।

পদ্মাসেতু শুধু একটি সেতুই নয়, এটি বাংলাদেশের উন্নয়ন, অহংকার, আত্মমর্যাদা, আত্মপরিচয়, যোগ্যতা সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রত্যয়ের প্রতীক।

Share This Article


প্রধানমন্ত্রী গ্রামাঞ্চলের মানুষদের ভালোবাসেন: পরিকল্পনামন্ত্রী

ডলারের ব্যবহার কমাচ্ছে ভারত

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ১১

ক্ষমতা দেওয়ার মালিক মহান আল্লাহ: ওবায়দুল কাদের

আফিফ-বিজয়ের ফিফটিতে বাংলাদেশের মাঝারি সংগ্রহ

জেপার্ড অ্যান্টি এয়ারক্রাফট সিস্টেম ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার

সেই বিষয়ে ইরানে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেছে রুশ সেনারা

বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির বিষয়ে ব্যবস্থা: বেবিচক চেয়ারম্যান

সৈন্যরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকবে: চীন

থাইরয়েড হরমোনে মুখের যেসব সমস্যা হয়ে থাকে

‘গোল্ডেন সিক্স’ - একসঙ্গে আশরাফুল ও জাহানারা আলম

লাল সিং চাড্ডায় আমিরের পারিশ্রমিক ৫০ কোটি, কারিনার কত?

বিএনপিকে জবাব দিতে আ.লীগ মাঠে থাকবে: তোফায়েল আহমেদ

বিমানবন্দর সড়কে তিন লেন বন্ধ: যাত্রীদের সময় নিয়ে যাত্রার অনুরোধ

প্রেমিকের গায়ে হলুদের খবরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা