বন্যাকবলিত এলাকায় সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন যারা

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা দুর্গত এলাকায় পানিবন্দি লোকজনকে উদ্ধারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,স্বেচ্ছাসেবী, সরকারি কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যসহ আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ অংশগ্রহণ করে বানবাসীদের সাহায্য সহযোগিতা শুরু করেছেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বয় করে কাজ করছে।

বন্যাকবলিত জেলা-উপজেলাগুলোতে আক্রান্তদের চিকিৎসায় ১৪০টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে মানুষকে রক্ষা করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসতে খোলা হয়েছে ৬০০টি আশ্রয় কেন্দ্র। সরবরাহ করা হচ্ছে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ।

বন্যা কবলিত ১১টি জেলায় মানবিক সহায়তা হিসেবে ১৭২০ মেট্রিক টন চাল, ২২ কোটি ৭৬ লাখ নগদ টাকা এবং ৫৮ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

১৯ মে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সিলেটের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক ও নিকটবর্তী বন্যাকবলিত এলাকায় বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং বন্যাকবলিত মানুষের সাথে কথা বলেন।

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যায় পানিবন্দী মানুষের দ্বারে দ্বারে খাদ্য সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেও সমন্বয়ক টিম গঠন করা হয়েছে।

দূর্গত এলাকায় হেলিকপ্টারে করে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে বিমানবাহিনী।

আজ বন্যাদূর্গত এলাকায় সহযোগীতা করতে কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের নেতৃত্বে একটি টিম সিলেট ও সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।