শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা: অস্ত্র আইনে চার্জ গঠন

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলার চার্জ গঠন করা হয়েছে। 

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল ট্রাইবুনাল-৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মন্ডলের আদালতে ৪৯ জন আসামির মধ্যে সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৪০ জনের উপস্থিতিতে চার্জ গঠন করা হয়। 

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল লতিফ বলেন, ‘অস্ত্র আইনে মামলার চার্জ গঠন করা হয়েছে। আমরা আদালতে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছি, শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার সময় বোমা বিস্ফোরণ করা হয়। অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। আজকে অস্ত্র আইনে চার্জ গঠন করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইনের মামলায় দুইজন সাক্ষী হাজিরা দিয়েছিলেন। দুটো মামলা একইসঙ্গে চলবে।’ 

আগামী ২৯ জুন অস্ত্র মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে বলে জানান সরকারি এই কৌঁসুলি। 

পিপি আব্দুল লতিফ আরও জানান, পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে থাকা ৫০ জনের মধ্যে এক জন মারা গেছেন। ৯ জন আসামি পলাতক রয়েছেন। বাকি ৪০ আসামি চার্জ গঠনের সময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিররণে জানা যায়, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১০টায় শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০মিনিটের দিকে কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে রাস্তার উপর জেলা বিএনপির সভাপতি ও তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলামের হাবিব ও বিএনপি নেতা রঞ্জুর নির্দেশে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা যাত্রীবাহী বাস (সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯) আড় করে দিয়ে গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় তৎকালীন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতিন, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী সাথী ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে এক ডজন নেতাকর্মী আহত হয়।

এ ঘটনায় থানায় মামলা না নেওয়ায় ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন বাদী হয়ে যুবদল নেতা আশরাফ হোসেন, আব্দুল কাদের বাচ্চুসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৭০-৭৫ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। 

বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই হাইকোর্ট নিম্ন আদালতে মামলার কার্যক্রম নতুন করে শুরু করার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম নিতাই চন্দ্র সাহা ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। ২০১৫ সালের ১৭ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শফিকুর রহমান ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

মামলায় ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগ থাকায় তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে এর দুটি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতে বিচারাধীন। অপর মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ৫০ জনের ৪ থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা হয়।

দণ্ডিত আসামি মাহাফুজুর রহমান সাবু কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। গত ২৪ এপ্রিল বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও কারাগার থেকে বের হওয়ার আগেই ২৫ মে সুপ্রিম কোটের চেম্বার জর্জ জামিন স্থগিত করে দেন। 

Share This Article


কুখ্যাত ওয়াগনার ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইউক্রেনের হামলা

রাতের আঁধারে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সিরিয়ার ৩ সেনা নিহত

হিরো আলম অবশ্যই ট্যালেন্ট: মিশা সওদাগর

সাভারে এখনো বঙ্গবন্ধুর খুনির বাবার নামে চলছে স্কুল

রাজধানীর চকবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হবে : সোহেল তাজ

কত দেশ এখন মন্দার শঙ্কায়

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় আগুন

কিমকে চিঠিতে কী লিখেছেন পুতিন?

তাজমহলে একদিনে রেকর্ড ৮০ হাজার দর্শনার্থী!

মালদ্বীপের হেড কোচ হলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার

মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ: কাদের

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের শহীদদের শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর