জয়ই কি আওয়ামী লীগের আগামীর কান্ডারী?

আজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫২তম অন্যতম জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়। সজীব ওয়াজেদ জয় কেবল জাতির পিতার দৌহিত্র বা প্রধানমন্ত্রীর পুত্র নন, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকারও বটে। 

আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছিল। তারপর সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরেই বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে বিপ্লব আনে। সেই বিপ্লবের সুফল ভোগ করছে আজ দেশের প্রতিটি মানুষ। বাংলাদেশের অগ্রগতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, যেটি সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাতেই করা। জয়ই বাংলাদেশকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি রাষ্ট্রের বিনির্মাণে পথদ্রষ্টা বলেই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা তিনি। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তার মা চারবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী তিনি। তার পরও তিনি কখনও এমপি হননি, কোনো পদ-পদবীও গ্রহণ করেনি। এমনকি তিনি দলের কোনো সরাসরি পদ থেকেও নিজেকে দূরে নিয়েছেন। জয় সরাসরি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে আসবেন কি আসবেন না, এটি একটি মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন। অনেকে মনে করেন যে, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হয়তো আগামী নির্বাচনই শেষ নির্বাচন করবেন। এরপর বয়সের কারণে বা নানা বাস্তবতায় তিনি আর নির্বাচন করবেন না। আওয়ামী লীগের মধ্যে অনেকেরই প্রশ্ন যে, শেখ হাসিনার পর কে? শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই আওয়ামী লীগে। এমনকি বাংলাদেশেও এখন শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, শেখ হাসিনার অপরিহার্যতা ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো যে, প্রধানমন্ত্রীর বয়স হয়েছে এবং আগামী পাঁচ বছর পর তার বয়স আরও বাড়বে। এরকম একটি সময়ে তার বিকল্প খুঁজে বের করতেই হবে আওয়ামী লীগকেও এবং দেশকেও। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো শেখ হাসিনার পর আওয়ামী লীগের হাল কে ধরবেন?

এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে এটি অজানা প্রশ্ন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতিও এটি দিয়ে কোনো সময় খোলাসা করেননি। এমনকি সজীব ওয়াজেদ জয় বা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সরাসরি রাজনীতিতে আসবেন কিনা সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে এদের দুজনকেই সরব দেখা গেছে। দুজনেরই জনগণের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিশেষ করে সজীব ওয়াজেদ জয়ের তরুণদের মধ্যে প্রচণ্ড জনপ্রিয়তা রয়েছে। আধুনিকমনস্ক তরুণ হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা, জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। তিনিই কি শেখ হাসিনার পর আওয়ামী লীগের কান্ডারী হবেন? এই প্রশ্নের উত্তর যেমন জয় দেননি, দেননি তার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সরসরি রাজনীতিতে যদি জয় আসেন, তিনি যদি আওয়ামী লীগের হাল ধরেন, সেটি আওয়ামী লীগের জন্য হবে আশীর্বাদ। এটি নিঃসংকোচে বলা যায়।

Share This Article


প্রধানমন্ত্রী গ্রামাঞ্চলের মানুষদের ভালোবাসেন: পরিকল্পনামন্ত্রী

ডলারের ব্যবহার কমাচ্ছে ভারত

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ১১

ক্ষমতা দেওয়ার মালিক মহান আল্লাহ: ওবায়দুল কাদের

আফিফ-বিজয়ের ফিফটিতে বাংলাদেশের মাঝারি সংগ্রহ

জেপার্ড অ্যান্টি এয়ারক্রাফট সিস্টেম ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার

সেই বিষয়ে ইরানে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেছে রুশ সেনারা

বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির বিষয়ে ব্যবস্থা: বেবিচক চেয়ারম্যান

সৈন্যরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকবে: চীন

থাইরয়েড হরমোনে মুখের যেসব সমস্যা হয়ে থাকে

‘গোল্ডেন সিক্স’ - একসঙ্গে আশরাফুল ও জাহানারা আলম

লাল সিং চাড্ডায় আমিরের পারিশ্রমিক ৫০ কোটি, কারিনার কত?

বিএনপিকে জবাব দিতে আ.লীগ মাঠে থাকবে: তোফায়েল আহমেদ

বিমানবন্দর সড়কে তিন লেন বন্ধ: যাত্রীদের সময় নিয়ে যাত্রার অনুরোধ

প্রেমিকের গায়ে হলুদের খবরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা