আ'লীগ নেতাদের অনুরোধে মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন: হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ আওয়ামী লীগ নেতাদের অনুরোধে মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের অনুরোধে মেজর জিয়া ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার পরে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ চিন্তা করেছিলেন- যদি বাঙালি কোনো সেনা কর্মকর্তা দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করানো যায়, তবে পশ্চিম পাকিস্তানে অবস্থানরত বাঙ্গালি সেনা কর্মকর্তারা স্বাধীনতার পক্ষে চাঙ্গা হবেন। আর সে সময় চট্রগ্রাম থেকে কালুরঘাট হয়ে যাচ্ছিলেন মেজর জিয়া। আমার ধারণা, তিনি নিরাপদ দুরুত্বে যাচ্ছিলেন। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীন রাজ্যের ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আগে থেকে তা রেকর্ড করা ছিলো। কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন চট্রগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এই হলো ইতিহাস। সেই সময়ে ৬৪ দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন এমন সংবাদ প্রকাশিতও হয়। অথচ বিএনপি নেতারা দাবি করেন- জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক। এসব মিথ্যাচার করে। এ ছাড়াও ২৭ মার্চ আওয়ামীলীগ নেতা কায়কোবাদ ও বেলাল আহমেদ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।’

শনিবার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা পরিষদ চত্বরে আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘বাঙালিদের শোষণ ও নির্যাতন বন্ধে পাকিস্তান শাসকদলের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর নামে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়ে বাঙালিদের পক্ষে আন্দোলনরত বঙ্গবন্ধুকে স্তব্দ করতে চেয়েছিলো। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে জনগনের ম্যান্ডেট পেলেও ক্ষমতায় হস্তান্তরে টালবাহানা করতে থাকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। তিনি বলেন, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।’

মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রি-বাষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী। সম্মেলনের উদ্ধোধক ছিলেন কুমিল্লা (উ:) জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. রোশন আলী মাস্টার, সঞ্চালনা করেন মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লা মিয়া রতন সিকদার।

Share This Article


প্রসেনজিতের বাসায় ঢাকার তারকারা

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে পদ্মা সেতু দেখাবে পর্যটন করপোরেশন

‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের রূপকার শেখ হাসিনা’ গ্রন্থ পথ দেখাবে নতুন প্রজন্মকে

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর

প্রতি কলড্রপে ৩০ সেকেন্ড ফেরত পাওয়া যাবে

বিদেশি পর্যটকদের জন্য দুয়ার খুললো বাংলাদেশ

জনগণ তো সবসময় সেই আতঙ্কে : তথ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৮২

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত বেড়ে ৪১

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের ২৭ প্রার্থী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা পাচ্ছে যে সাত প্রতিষ্ঠান

২৪ ঘণ্টায় করোনায় ছয়জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৭১৮

করতোয়ার পাড়ে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি, মৃত্যু বেড়ে ৩৯

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বিশেষ তথ্যচিত্র ‘শেখ হাসিনা: আ ট্রু লেজেন্ড’

টানা দুই ম্যাচে ম্যাচসেরা সাকিব