ধর্ষণচেষ্টার শাস্তি কান ধরে ওঠবস, অভিযুক্ত কারাগারে

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০১:১৮, সোমবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩, ৯ মাঘ ১৪২৯

এ সময় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত সোহেলকে (১০ বার কান ধরে ওঠবস করার শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ওই সালিশ মেনে নিতে সাদা স্ট্যাম্পে উভয় পক্ষের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়।

নোয়াখালীর চাটখিলে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে (১১) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সালিশে ১০ বার কান ধরে ওঠবস করিয়ে ছেড়ে দেওয়া আসামি মো. সোহেলকে (৩৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।


রোববার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আমলি আদালত-৭ এর বিচারক মো. এমদাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি আদালতের পরিদর্শক মো. শাহ আলম জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে দুপুরে আসামি মো. সোহেলকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় আদালতে এবং ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

আসামি মো. সোহেল চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রুস্তম পাটোয়ারীর ছেলে। তার মামা কাজী বেলাল ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

অভিযোগে জানা গেছে, ১৫ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে স্কুলছাত্রীকে তার বড়ভাই স্থানীয় জনতা বাজার থেকে একই বাড়ির মো. সোহেলের সঙ্গে বাড়ি পাঠালে তিনি শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা করেন। এ ঘটনায় গত শুক্রবার সকালে স্থানীয় মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুলের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠক বসে। এতে অভিযুক্ত সোহেল, তার বাবা রুস্তম পাটোয়ারী, মামা আওয়ামী লীগ নেতা কাজী বেলালসহ শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত সোহেলকে (১০ বার কান ধরে ওঠবস করার শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ওই সালিশ মেনে নিতে সাদা স্ট্যাম্পে উভয় পক্ষের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়।

এ ঘটনায়  সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামের নির্দেশে অভিযুক্ত মো. সোহেলকে শনিবার গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেন।

নির্যাতিতার বাবা  বলেন, বাধ্য করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল। আমরা অসহায় মানুষ, আইনের সহায়তা নেওয়ার মতো কেউ পাশে ছিল না। গণমাধ্যমকর্মী ও পুলিশের সহযোগিতায় মামলা দায়ের করেছি। আসামির সর্বোচ্চ শান্তি কামনা করছি।


সালিশ বৈঠকের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুল সালিশ বৈঠক ও শাস্তি দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে মামলার পর তাকে মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

এ ব্যাপারে চাটখিল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আবু জাফর বলেন, আসামি সোহেলকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় কারাগা

বিষয়ঃ ধর্ষণ

Share This Article

বাংলাদেশের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন আইএমএফের

নেপালের উপপ্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

তারেকের বিরুদ্ধে রেমিট্যান্স গায়েবের অভিযোগ !

গোপনে নির্বাচনী সমঝোতা করছে বিএনপির হাইকমান্ড!

শরিকদের সাথে প্রতারণা, ভরাডুবি হলে সব দায় বিএনপির !

প্রধানমন্ত্রীর জনসভার উদ্দেশে মাদ্রাসা মাঠে আসছেন নেতাকর্মীরা

আমনে ভাসছে দেশ: বিঘা প্রতি কৃষকের মুনাফা ১৮ থেকে ২১ হাজার টাকা!

একদিকে আন্দোলন,আরেকদিকে নির্বাচনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত বিএনপির!

গুজব কাটিয়ে ব্যাংকে আস্থা ফিরেছে সাধারণ মানুষের

ক্ষমতা ছাড়াই হাজার কোটির সম্পত্তি বিএনপি নেতা আমানের