অর্থনৈতিক করিডোর

বাড়বে বাণিজ্য সুবিধা, কর্মসংস্থানও হবে ৭ কোটি জনগোষ্ঠীর : এডিবি

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৫:৩২, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৩, ৮ ভাদ্র ১৪৩০

*২০৫০ সাল নাগাদ ৭ কোটি ১৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের আশা
*২৮৬ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য সুবিধা বাড়বে
*অর্থনৈতিক করিডোরের তিনটি পরিপূরক উপাদান

 

 

অর্থনৈতিক করিডোরে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে বাড়বে বাণিজ্য সুবিধা এবং ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ৭ কোটি ১৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া ২০৪০ সালের মধ্যে ৪ কোটি ৬২ লাখ এবং ২০২৫ সালের মধ্যে ১ কোটি ২৭ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি এই সুবিধা কাজে লাগানো গেলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ২৮৬ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য সুবিধা বাড়বে।

বুধবার ‘বাংলাদেশ ইকোনমিক কোরিডোর ডেভেলপমেন্ট হাইলাইটস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এসব তথ্য জানিয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজার রহমান ও বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনের (বেজা) চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুন চ্যাং হোং। আলোচক ছিলেন এডিবির ডিরেক্টর সব্যসাচী মিত্র, প্রান আরএফএলের ডিরেক্টর উজমা চৌধুরী এবং পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ। এতে সমাপনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী সদস্য অভিজিৎ চৌধুরী। 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি করিডোর সুবিধা ব্যবহার করা না যায় তা হলে ২০৫০ সালে কর্মসংস্থান হবে ৩ কোটি ১১ লাখ। আর এই সুবিধা ব্যবহার করা গেলে হবে ৭ কোটি ১৮ লাখ কর্মসংস্থান। এছাড়া ২০২৫ সালে সুবিধা ব্যবহার করা না গেলে হবে ১ কোটি ৩৪ লাখ, ব্যবহার করা গেলে ১ কোটি ৫৭ লাখ। ২০৩০ সালে সুবিধা ব্যবহার করা না গেলে ১ কোটি ৭০ লাখ, আর ব্যবহার করা গেলে হবে ২ কোটি ৩৪ লাখ কর্মসংস্থান। ২০৩৫ সালে সুবিধা কাজে না লাগানো গেলে ২ কোটি ১০ লাখ, সুবিধা কাজে লাগালে হবে ৩ কোটি ৪৭ লাখ কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া ২০৪০ সালে কর্মস্থান হবে ২ কোটি ৪৮ লাখ। তবে  করিডোর সুবিধা কাজে লাগানো গেলে হবে ৪ কোটি ৬২ লাখ কর্মসংস্থান।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, অর্থনৈতিক করিডোরের তিনটি পরিপূরক উপাদান রয়েছে- একটি বাণিজ্য ও পরিবহন করিডোর উৎপাদন ক্লাস্টার, যা অভ্যন্তরীণ বাজারে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উভয়ই ব্যবহারের জন্য পণ্য উৎপাদন করে। এছাড়া শহুরে কেন্দ্রগুলো উৎপাদনকেন্দ্র থেকে পণ্যগুলোর প্রধান বাজার হিসেবে কাজ করে এবং আন্তর্জাতিক গেটওয়ের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্যের জন্য তারা শ্রম প্রযুক্তি, সহায়তা পরিষেবা, জ্ঞান এবং উদ্ভাবনের উৎস হিসেবেও কাজ করে।

এই তিনটি উপাদান একটি সাধারণ উন্নয়ন ব্লু প্রিন্টে যুক্ত করা হয়, যা উপযুক্ত নীতি সমর্থন এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে সম্ভব। অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়নের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো স্বল্পোন্নত অঞ্চলের একীকরণের মাধ্যমে সমৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম প্রধান পিছিয়ে থাকা অঞ্চল। তাই বাংলাদেশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থজুড়ে অভিন্ন, সামগ্রিক এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোরকে (বিইসি) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল (খুলনা বিভাগ) থেকে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল (সিলেট) পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ধারণা দেওয়া হয়েছে।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৬ শতাংশ: আইএমএফ

সোনার দাম আরও বাড়লো

তৃতীয় কিস্তির ১১৫.২০ কোটি ডলার অনুমোদন পেতে পারে আজ

পুঁজিবাজারে সূচকে ফিরছে গতি

১০ মাসে সর্বোচ্চ অর্থ সহায়তা দিয়েছে জাপান

বাংলাদেশকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক

বিশ্ববাজারে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা

বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

প্রতিদিন এক হাজার ২২৪ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথম বিদেশি অপারেটরের কার্যক্রম শুরু

আনুষ্ঠানিকভাবে আম রপ্তানি শুরু

প্রসঙ্গ বাজেট: খালেদা জিয়াকেও কি দুর্বৃত্ত বলবে বিএনপি?