জাতিসংঘ মহাসচিবের ওপরও নজরদারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৫:৩৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩, ৩০ চৈত্র ১৪৩০

ওই গোপন নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস রাশিয়ার দাবি-দাওয়াগুলো মেনে নেওয়ার জন্য খুবই আগ্রহী ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৈরি কিছু গোপন তথ্যের নথি কয়েক দিন আগে ফাঁস হয়েছে। ফাঁস করা এসব নথি থেকে বিভিন্ন তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে মিত্র দেশ দক্ষিণ কোরিয়া, ইসরাইলসহ বেশ কয়েকটি দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি চালানোর খবর। এবার জানা গেল, জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের ওপরও নজরদারি করেছে মার্কিন গোয়েন্দারা।

মূলত ওই গোপন নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস রাশিয়ার দাবি-দাওয়াগুলো মেনে নেওয়ার জন্য খুবই আগ্রহী ছিলেন।

একটি নথিতে গুতেরেস এবং তার ডেপুটির মধ্যে হওয়া কথোপকথনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিবের অবস্থান এবং আফ্রিকান একটি দেশের নেতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে অপর এক নথিতে।

গোপন নথিতে ‘জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায়’ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হওয়া কৃষ্ণসাগর শস্য চুক্তির কথা বিশেষ করে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, এই চুক্তিটি অক্ষুন্ন রাখতে গুতেরেস এতটাই তৎপর হয়েছিলেন যে, তিনি রাশিয়ার দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়ার কথাও বলেছিলেন। তিনি রাশিয়ার খাদ্য শস্য রপ্তানির বিষয়টি শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছিলেন। আর এটি করতে গিয়ে যদি রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা পাওয়া প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হয় সেটিতেও রাজি ছিলেন তিনি।

এছাড়া এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে গুতেরেসের কিছু কর্মকাণ্ড ‘ইউক্রেনে অপরাধ সংঘটিত করার জন্য রাশিয়াকে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়টিকে বাধাগ্রস্ত করছিল’ বলে অভিযোগ করা হয়েছে নথিতে।

তবে গুতেরেসের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, যুদ্ধের বিরূপ প্রভাব যেন গরীব দেশগুলোর ওপর না পড়ে, গরিব দেশগুলো যেন প্রয়োজনীয় খাবার ও সার পায় সেটি নিশ্চিতেই শস্য চুক্তি নিয়ে এতটা তৎপর ছিলেন গুতেরেস।

জাতিসংঘের আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গুতেরেস রাশিয়ার পক্ষপাতিত্ব করেননি কখনই। তিনি যুদ্ধের শুরু থেকেই মস্কোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।

এছাড়া অপর এক নথিতে গুতেরেস এবং তার ডেপুটি আমিনা মোহাম্মদের মধ্যে হওয়া একটি কথোপকথনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আমিনা মোহাম্মদের সঙ্গে গুতেরেস ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েনের সম্পর্কে কথা বলেছিলেন। রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর উরসুলা বলেছিলেন, ইউরোপের উচিত অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানো। আমিনা মোহাম্মদের সঙ্গে কথোপকথনে গুতেরেস জানিয়েছেন, উরসুলার এমন সিদ্ধান্তে তিনি ‘হতাশ।’

অপরদিকে আমিনা মোহাম্মদ গুতেরেসকে আফ্রিকার নেতাদের একটি সম্মেলনের কথা বলেন। তিনি জানান, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুতো ‘দয়ামায়াহীন’ এবং তাকে তিনি ‘বিশ্বাস করেন না।’

Share This Article

আন্দোলনকারীদের মারধরে র‍্যাব সদস্যের অবস্থা সংকটাপন্ন

৪ ঘণ্টায়ও নেভেনি বিটিভির আগুন

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান : ওবায়দুল কাদের

শিবির-ছাত্রদলের নির্মমতা: চট্টগ্রামে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয় ১৫ ছাত্রলীগ কর্মীকে

ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয়: ডিবিপ্রধান হারুন

অহেতুক কিছু কথায় মূল্যবান জীবন ঝরে গেল : প্রধানমন্ত্রী

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী

আইনি প্রক্রিয়ায় সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

কোটার আড়ালে চট্টগ্রামে শিবির নেতার নির্দেশেই হত্যাকাণ্ড?

আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ষড়যন্ত্র করছে: ডিবিপ্রধান


কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি এগিয়ে আনতে আবেদন রোববার

২৫ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসির সব পরীক্ষা স্থগিত

পুলিশের ওপর হামলা: বিএনপির ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

আপিল বিভাগের শুনানি এগিয়ে আনার ব্যবস্থা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

মৎস্য শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কোটা আন্দোলন: হতাহতের ঘটনা তদন্তে বিচারবিভাগীয় কমিটি গঠন

শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে চায় সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কোটা সংস্কার: আপিল শুনানি এগিয়ে আনতে রোববার আবেদন করবে রাষ্ট্রপক্ষ

শিক্ষার্থীরা যখনই বসবে আমরা রাজি আছি : আইনমন্ত্রী

কোটা আন্দোলনকারীরা আলোচনায় বসতে রাজি সরকার

কি দোষ ছিল দিনমজুর শাজাহানের, কেন তাকে হত্যা করা হলো?

কমপ্লিট শাটডাউনেও চলবে মেট্রোরেল : ডিএমটিসিএল