যা আছে আমেরিকা-ব্রিটেনের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৩:৪৪, বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৩, ২৯ চৈত্র ১৪৩০
  • প্রতিদিন ব্রিটেনে ৯ ভাগই গ্রেফতা হয় ডিজিটাল অপরাধের দায়ে। 
  • সম্প্রতি ইতালিতেও এই ধরনের একটি আইন পাস হয়েছে। 
  • ২০২২ সালে চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়ায় এ ধরনের আইন পাস হয়েছে।  
  • বিভিন্ন দেশে শাস্তির মেয়াদ বাংলাদেশের চেয়েও বেশি, এমনকি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত রয়েছে।

বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়েও এই বিষয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ব্রিফিংয়ে এই আইনকে সাংবাদিকদের জন্য কঠিন আইনগুলোর একটি বলেও আখ্যায়িত করে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। কিন্তু নিজ দেশে একই আইন বলবৎ রেখে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে তাদের উদ্বেগে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের আইসিটি বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, খোদ যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের আইন বলবৎ আছে, যা বাংলাদেশের চেয়ে আরো কঠোর। যুক্তরাষ্ট্রে 'সাইবার- ল- এন্ড পানিশমেন্ট' নামে এই আইন পরিচিত। দেশটিতে এ ধরণের অপরাধের শাস্তি হচ্ছে ২০ বছর অথচ বাংলাদেশে শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ অর্ধেকেরও কম। আমেরিকায় ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর কারণে যদি কারো মৃত্যু হয় তবে সেই অপরাধের শাস্তি হচ্ছে যাবজ্জীবন সাজা, যার মেয়াদ ২০ বছর পর্যন্ত।

অন্যদিকে পরাশক্তিধর দেশ ব্রিটেনে ২০২২ সালে 'সাইবার সিকিউরিটি ল’জ এন্ড রেগুলেশন' নামে একটি আইন পাস হয়। অনলাইনে মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধেই এই আইন করেছে দেশটির সরকার। এই আইনের অধীনে ব্রিটেনে সাইবার অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হয় বলে জানান আইসিটি বিশেষজ্ঞরা।

ব্রিটিশ প্রভাবশালী গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের তথ্য বলছে, প্রতিদিন ব্রিটেনে যে পরিমাণ মানুষ গ্রেফতার হয় তার ৯ ভাগই হয় ডিজিটাল অপরাধের দায়ে। সম্প্রতি ইতালিতেও এই ধরনের একটি আইন পাস হয়েছে। ২০২২ সালে চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়ায় এ ধরনের আইন পাস করেছে দেশগুলোর সরকার, যেগুলোর শাস্তির মেয়াদ বাংলাদেশের চেয়েও বেশি, এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত রয়েছে।

এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ নামে একই ধরনের আরো ব্যাপকভিত্তিক আইনের খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশেও সম্প্রতি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের নতুন দিক-নির্দেশনা তৈরির পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আমাদের দেশের চেয়েও আরও ভয়ানক আইন রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন ও চীনে। দেশ তিনটিতে সাধারণ নাগরিকদের ওপর এসব আইনের খড়গ অনেক বেশি, এমনকি তা প্রকাশের সুযোগও সীমিত, যা বাংলাদেশে নেই। বাংলাদেশে এই আইন থাকলেও তা প্রয়োগ ও শাস্তির উদাহরণ খুবই সীমিত। তবে এই আইন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থেই প্রয়োজন রয়েছে। নইলে এর যথেচ্ছ ব্যবহার সাধারণ মানুষকে বিব্রত ও সীমাহীন বিপদে ফেলে দিতে পারে। কাজেই এই আইন শুধু প্রয়োজনই নয়, অবশ্যই প্রয়োজন বলে মনে করছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা।

বিষয়ঃ ICT

Share This Article

আন্দোলনকারীদের মারধরে র‍্যাব সদস্যের অবস্থা সংকটাপন্ন

৪ ঘণ্টায়ও নেভেনি বিটিভির আগুন

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান : ওবায়দুল কাদের

শিবির-ছাত্রদলের নির্মমতা: চট্টগ্রামে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয় ১৫ ছাত্রলীগ কর্মীকে

ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয়: ডিবিপ্রধান হারুন

অহেতুক কিছু কথায় মূল্যবান জীবন ঝরে গেল : প্রধানমন্ত্রী

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী

আইনি প্রক্রিয়ায় সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

কোটার আড়ালে চট্টগ্রামে শিবির নেতার নির্দেশেই হত্যাকাণ্ড?

আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ষড়যন্ত্র করছে: ডিবিপ্রধান


ঢাকা কলেজের ছাত্রের প্রাণহানি, সারা দেশে নিন্দার ঝড়

শিবির-ছাত্রদলের নির্মমতা: চট্টগ্রামে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয় ১৫ ছাত্রলীগ কর্মীকে

আমরা সরকার পতন করেই ঘরে ফিরবো: গাজীপুর থেকে আগত শিবির কর্মী

কোটা আন্দোলনে জামায়াত-শিবির অনুপ্রবেশ, শিক্ষকদের মারধর

প্রধানমন্ত্রী'র বক্তব্যের মর্মার্থ বিকৃত করলো কারা

দুইজন নিহতের অসত্য দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, কড়া প্রতিবাদ বাংলাদেশের

সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে স্বঘোষিত ‘রাজাকার,’ কেমন মেধাবী তারা?

কোটা আন্দোলনে বিএনপির অর্থায়ন, সারা দেশে শিবিরের শক্ত নেটওয়ার্ক

ঢাবি ক্যাম্পাসে যেভাবে জড়ায় ছাত্রলীগ

'রাজাকার' পরিচয় দিতে একবারও লজ্জা হলো না তাদের

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাথে 'ওয়ান ইলেভেন' সরকারের আচরণ যেমন ছিল

কোটা সংস্কার আন্দোলন: সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে দাঁড়িয়ে কলঙ্কের পদচিহ্ন এঁকে দিলো যারা!