প্রধানমন্ত্রীর সংবাদেও সেন্সরের কাঁচি বসালো প্রথম আলো!

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৮:০৩, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩, ২৮ চৈত্র ১৪৩০
  • দেশকে রাজনীতি শূন্য করার মিশনে নেমে একের পর এক বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছাপিয়েছিল প্রথম আলো।
  • আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরেও দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে মেতেছে এই গোষ্ঠী।
  • প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের সব গণমাধ্যম গুরুত্ব দিয়ে ছাপলেও তা পুরোপুরিভাবে চেপে গেছে দৈনিকটি।
  • ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে সেনাবাহিনী নামার সুবাদে তারা রাজনৈতিক শক্তি নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

প্রথম আলোর বিরাজনীতিকরণ চেষ্টার শুরু ২০০৭ সাল তথা এক-এগারোর সরকারের সময় থেকে। দেশকে রাজনীতি শূন্য করার মিশনে নেমে একের পর এক বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছাপিয়েছিল পত্রিকাটি। কিন্তু ভেস্তে গিয়েছিল তাদের সব চেষ্টা। তবে ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি এরপরও। একই ধারাবাহিকতায় আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরেও দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে মেতেছে এই গোষ্ঠী। কিছুদিন আগে একটি শিশুর ছবি অপব্যবহারের মাধ্যমে নতুন ষড়যন্ত্রের সূচনা করে তারা। সর্বমহল থেকে এর প্রতিবাদ শুরু হলেও তাদের স্পর্ধা যেন বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদেও সেন্সরের কাঁচি বসিয়েছে দৈনিকটি।

তথ্যমতে, ১০ এপ্রিল ছিল জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনের সমাপনী অনুষ্ঠান। এদিন গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যেখানে তিনি অপসাংবাদিকতা বিষয়েও বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের সব গণমাধ্যম গুরুত্ব দিয়ে ছাপলেও তা পুরোপুরিভাবে চেপে গেছে প্রথম আলো।  অথচ ঠাঁই পেয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মূল্যহীন বিভিন্ন খবর। এ নিয়ে পাঠকদের মনেও প্রশ্ন জেগেছে।

পাঠকদের মতে, প্রথম আলো স্বাধীন সাংবাদিকতার কথা বলে, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কথা বলে; কিন্তু জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কি তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি? অতীতে তারা কখনোই এমনটি করেনি। কিন্তু তাদের নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে এবারই তারা প্রথম এমন স্পর্ধা দেখালো।

সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই যেকোনো একটি পক্ষ নিয়ে কাজ করছে প্রথম আলো। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে সেনাবাহিনী নামার সুবাদে তারা রাজনৈতিক শক্তি নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। কে রাজনীতি করবে, আর কে করবে না, সেই ‘প্রেসক্রিপশনও’ দিতে থাকে দৈনিকটি। আর এ কাজে প্রধান মদদদাতা ছিল ঢাকার মার্কিন দূতাবাসসহ পশ্চিমার কিছু কূটনীতিবিদ। সঙ্গে ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডাইলগ বা সিপিডি’র অনুগ্রহভাজন কিছু নাগরিক; যারা সুশীল হিসেবে পরিচিত। রাজনীতিতে তারা নিয়ে আসেন নোবেলজয়ী ড. ইউনূসকেও। কিন্তু জনগণের সাড়া না পেয়ে পত্রিকাটির সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। সম্প্রতি ভারতের আনন্দবাজার খবর দিয়েছে, কলকাতার মার্কির উপ-দূতাবাস, ড. ইউনূস ও প্রথম আলো মিলে আবারও ষড়যন্ত্রে মেতেছে।

সমালোচকরা বলছেন, এবারের স্বাধীনতা দিবসে দ্রব্যমূল্য নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপসাংবাদিকতার দায়ে মামলার পর থেকেই জলঘোলা করার চেষ্টা করছে প্রথম আলো। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়েও পত্রিকাটি একপেশে সংবাদ ছেপেছে। এবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদেও ‘সেন্সর কাঁচি’ বসিয়েছে পত্রিকাটি। আসলে দৈনিকটি সাংবাদিকতার আড়ালে ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিপরীতে পত্রিকাটি রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নেই যেন বেশি মনোযোগী হয়ে উঠেছে।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article

আন্দোলনকারীদের মারধরে র‍্যাব সদস্যের অবস্থা সংকটাপন্ন

৪ ঘণ্টায়ও নেভেনি বিটিভির আগুন

শিবির-ছাত্রদলের নির্মমতা: চট্টগ্রামে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয় ১৫ ছাত্রলীগ কর্মীকে

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান : ওবায়দুল কাদের

ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয়: ডিবিপ্রধান হারুন

অহেতুক কিছু কথায় মূল্যবান জীবন ঝরে গেল : প্রধানমন্ত্রী

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ই আইন হিসেবে গণ্য হবে: জনপ্রশাসনমন্ত্রী

আইনি প্রক্রিয়ায় সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

কোটার আড়ালে চট্টগ্রামে শিবির নেতার নির্দেশেই হত্যাকাণ্ড?

আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ষড়যন্ত্র করছে: ডিবিপ্রধান


ঢাকা কলেজের ছাত্রের প্রাণহানি, সারা দেশে নিন্দার ঝড়

শিবির-ছাত্রদলের নির্মমতা: চট্টগ্রামে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয় ১৫ ছাত্রলীগ কর্মীকে

আমরা সরকার পতন করেই ঘরে ফিরবো: গাজীপুর থেকে আগত শিবির কর্মী

কোটা আন্দোলনে জামায়াত-শিবির অনুপ্রবেশ, শিক্ষকদের মারধর

প্রধানমন্ত্রী'র বক্তব্যের মর্মার্থ বিকৃত করলো কারা

দুইজন নিহতের অসত্য দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, কড়া প্রতিবাদ বাংলাদেশের

সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে স্বঘোষিত ‘রাজাকার,’ কেমন মেধাবী তারা?

কোটা আন্দোলনে বিএনপির অর্থায়ন, সারা দেশে শিবিরের শক্ত নেটওয়ার্ক

ঢাবি ক্যাম্পাসে যেভাবে জড়ায় ছাত্রলীগ

'রাজাকার' পরিচয় দিতে একবারও লজ্জা হলো না তাদের

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাথে 'ওয়ান ইলেভেন' সরকারের আচরণ যেমন ছিল

কোটা সংস্কার আন্দোলন: সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে দাঁড়িয়ে কলঙ্কের পদচিহ্ন এঁকে দিলো যারা!